নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: কেক তৈরির সামগ্রী এবার অগ্নিমূল্য। ময়দা থেকে চিনি, রিফাইন্ড তেল থেকে ডার্ক হোয়াইট চকোলেট কম্পাউন্ড— সব জিনিসের দাম বেড়েছে হু হু করে। কয়েকটি সামগ্রীর দাম পুজোর পর বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। এই অবস্থায় সস্তায় কেক করতে গিয়ে বহু বেকারি গুণমানের সঙ্গে আপোস করছেন। এই অবস্থায় বড়দিনে বাঙালির প্লেটে ভালো মানের কেক কী আদৌ মিলবে, নাকি ভেজাল খেয়ে স্বাস্থ্য ভাঙবে, তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।
Advertisement
রাজ্যের বহু চার্চে ক্রিসমাস উৎসবের সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চার্চগুলি সেজেও উঠতে শুরু করেছে আলোর মালায়। বর্ষশেষের উৎসবে মাততে তৈরি বাঙালি। ভোজনরসিক বাঙালির কাছে ক্রিসমাস মানেই কেক খাওয়ার উৎসব। তাই এবার কেকের গুণমান নিয়েই বাড়ছে উদ্বেগ। জানা গিয়েছে, ফ্যাট মার্জারিনের ১৫ কেজির দাম অক্টোবরে ছিল ২ হাজার ৪০০ টাকা। দু’মাসের মধ্যে দাম বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার টাকা। ১৫ লিটারের রিফাইন্ড অয়েলের দাম ২০০০ থেকে বেড়ে হয়েছে আড়াই হাজার, হোয়াইট ক্রিমের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে সাত টাকা।
আসানসোলে দীর্ঘদিন ধরে কেক তৈরি করছেন মহম্মদ রসুল। তিনি বলেন, আমাদের ব্র্যাণ্ডের বদনাম করব না। কাঁচামালের দাম বেড়েছে, তাই কেকের দামও বাড়াতে হচ্ছে। অনেকে সেটা না করে গুণমানে কারচুপি করছেন। মহম্মদ জসমিন খান বলেন, এক মাসের মধ্যে কেক তৈরির সামগ্রীর দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। এবার বাজারে কেক বিক্রিও অনেকটাই কমবে বলে মনে হয়।
কেক প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত সামগ্রী তৈরির বহুজাতিক সংস্থার মার্কেটিং হেড দেবাশিস দাস বলেন, দাম বাড়ার জন্য অনেক বেকারি কম পরিমাণ কেক প্রস্তুত করছে। কেন্দ্রের পরিকল্পনাহীন জিএসটির হারই এর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসানসোলের বহু বিস্কুট কারখানাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে এই কারণে।
তবুও বড়দিনের বাজারে মানুষের কেনাকাটা বাড়বে। কেকের প্রতিও টান বাড়বে। তাই এখনও আশায় আছেন বহু ব্যবসায়ী।
আসানসোলে দীর্ঘদিন ধরে কেক তৈরি করছেন মহম্মদ রসুল। তিনি বলেন, আমাদের ব্র্যাণ্ডের বদনাম করব না। কাঁচামালের দাম বেড়েছে, তাই কেকের দামও বাড়াতে হচ্ছে। অনেকে সেটা না করে গুণমানে কারচুপি করছেন। মহম্মদ জসমিন খান বলেন, এক মাসের মধ্যে কেক তৈরির সামগ্রীর দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। এবার বাজারে কেক বিক্রিও অনেকটাই কমবে বলে মনে হয়।
কেক প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত সামগ্রী তৈরির বহুজাতিক সংস্থার মার্কেটিং হেড দেবাশিস দাস বলেন, দাম বাড়ার জন্য অনেক বেকারি কম পরিমাণ কেক প্রস্তুত করছে। কেন্দ্রের পরিকল্পনাহীন জিএসটির হারই এর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসানসোলের বহু বিস্কুট কারখানাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে এই কারণে।
তবুও বড়দিনের বাজারে মানুষের কেনাকাটা বাড়বে। কেকের প্রতিও টান বাড়বে। তাই এখনও আশায় আছেন বহু ব্যবসায়ী।



