নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: সামশেরগঞ্জে রাহুল গান্ধীর সভায় চরম বিশৃঙ্খলা। ভাঙল চেয়ার এবং বাঁশের ব্যারিকেড। ভিআইপি জোনের মধ্যে ব্যারিকেড টপকে ঢুকল উৎসাহী কর্মীরা। সামনে ঢুকতে কোনো বাধা না পাওয়ায় সভার পিছনের দিকে থাকা কর্মীরাও এগোতে থাকেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেগ পেতে হয় পুলিশকে। ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিকরা বাঁশের ব্যারিকেড ধরে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের ধমক দিয়ে শান্ত করেন।
মঙ্গলবার সমশেরগঞ্জের কিষাণমান্ডির মাঠে রাহুল গান্ধীর জনসভার আয়োজন করা হয়। দুপুর ৩টে নাগাদ তাঁর আসার কথা থাকলেও তিনি আগেই চলে আসেন। পাশে হেলিপ্যাড করা হয়েছিল। হেলিকপ্টার থেকে নেমে রাহুল সভামঞ্চে ওঠেন। তখন হেলিপ্যাডে থাকা জনতা হুড়মুড়িয়ে সভাস্থলের দিকে এগোতে থাকে। সভায় ঢোকার জায়গায় কোনো ব্যারিকেড না থাকায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মঞ্চের সামনে কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা-নেত্রীদের বসার জন্য ভিআইপি জোন করা হয়েছিল। কিছু যুবক সেখানে ঢুকে পড়ে। চেয়ার ভাঙচুর হয়। এরপর লোকজনের চাপে বাঁশের ব্যারিকেডও ভেঙে যায়। কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তথা সাগরদিঘির কংগ্রেস প্রার্থী মনোজ চক্রবর্তী বলেন, আমি সভামঞ্চে নিজে ছিলাম। কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়নি। গোটা দেশের আবেগ রাহুল গান্ধী। যুবসমাজের আইকন। তাঁকে দেখার জন্য যুবকরা উৎসাহের সঙ্গে সামনের দিকে এগিয়ে আসছিল। আমাদের এদিনের সভায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে কংগ্রেসের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ এসেছিলেন।