Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

একাংশের বকেয়া ডিএ আটকে ব্যাংকের দোষে, দ্রুত সমাধানে উদ্যোগী অর্থদপ্তর

ব্যাংক থেকে রাজ্য অর্থদপ্তরের কাছে সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য না পাঠানো হয়নি। এজন্য রাজ্য সরকারের অবসরপ্রাপ্ত পেনশন ও পারিবারিক পেনশন প্রাপকদের একাংশ এখনো বকেয়া প্রাপ্য ডিএ-র টাকা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

একাংশের বকেয়া ডিএ আটকে ব্যাংকের  দোষে, দ্রুত সমাধানে উদ্যোগী অর্থদপ্তর
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ব্যাংক থেকে রাজ্য অর্থদপ্তরের কাছে সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য না পাঠানো হয়নি। এজন্য রাজ্য সরকারের অবসরপ্রাপ্ত পেনশন ও পারিবারিক পেনশন প্রাপকদের একাংশ এখনো বকেয়া প্রাপ্য ডিএ-র টাকা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। কলকাতা পুরসভা এলাকায় যাঁদের ব্যাংকে পেনশন অ্যাকাউন্ট আছে, মূলত তাঁদের ক্ষেত্রেই এই সমস্যাটি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র একটি কিস্তি মার্চ মাসের শেষে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে রাজ্য অর্থদপ্তর। রাজ্য সরকারের গ্রুপ ডি কর্মীদেরও ব্যাংকের স্যালারি অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া শুরু হয়। বাকি কর্মীদের ক্ষেত্রে তা পিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে। পেনশনপ্রাপকদের একটি সংগঠনের নেতা মনোজ চক্রবর্তী জানান, যেসব পেনশনারের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কলকাতার বাইরে, তাঁরা টাকা পেয়ে গিয়েছেন। দুর্গতিতে পড়েছেন কলকাতার ব্যাংকে যাঁদের পেনশন অ্যাকাউন্ট আছে তাঁরাই। পশ্চিমবঙ্গের অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (এজি) অফিসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। 

Advertisement

এজি অফিস ৯ এপ্রিল এই ব্যাপারে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, কলকাতা পুরসভা এলাকার পেনশন ও ফ্যামিলি পেনশন প্রাপকদের তথ্য রাজ্য অর্থদপ্তরের কাছে না-থাকার জন্য বিষয়টি নিয়ে একটি বৈঠক হয়। এজি অফিস, অর্থদপ্তর ও ব্যাংকের প্রতিনিধিরা ওই বৈঠকে ছিলেন। সেখানে ঠিক হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পেনশন প্রাপকদের বকেয়া বিষয়ক তথ্যাদি অর্থদপ্তরে পাঠাবে। ৭ এপ্রিলের মধ্যে তা নির্দিষ্ট ফর্মাটে ইমেল করে একজন উপসচিবের কাছে পাঠাতে বলা হয়। তারপর অর্থদপ্তর তা পরীক্ষা করে বকেয়া টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করবে। 
এজি অফিস জানিয়েছে, কিছু ব্যাংক থেকে তথ্য পাঠানো হয়েছে। সেগুলি অর্থদপ্তর পরীক্ষা করছে। বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে বলেছে অর্থদপ্তর। এটা হলেই বকেয়া ডিএ দেওয়া যাবে। এনিয়ে এজি অফিস যে ব্যাংক ও অর্থদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে সেটাও জানানো হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।

সম্পর্কিত সংবাদ