নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে বাড়ির জন্য আবেদন এসেছিল তিন লক্ষের বেশি। কিন্তু যাচাই করতে গিয়ে প্রায় ১৬ হাজার আবেদনকারীকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এরকম ছবি উঠে এল। তাঁদের ‘নট ট্রেসেবেল’ বলে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ, শুরুতেই এই বিপুল সংখ্যক আবেদন বাদ চলে যেতে বসেছে।
বাংলার বাড়ির দ্বিতীয় ধাপে ২০ লক্ষ মানুষের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর বাইরেও যাঁরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে ফোন করে বাড়ির আবেদন করেছিলেন, তাঁদেরও যাতে টাকা দেওয়া যায়, তা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আপাতত সেইসব আবেদন এখন পঞ্চায়েতস্তরে যাচাই করা হচ্ছে। কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মোট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনেককেই পাওয়া যায়নি।
জেলার বিভিন্ন ব্লক সূত্রে খবর, সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি পাওয়ার জন্য মুহুর্মুহু আবেদন এসেছিল সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে। যাঁদের বাড়ি দরকার, তাঁরা যেমন ফোন করে জানিয়েছেন, তেমনই অনেকে বিভিন্ন সময়ে আলাদা নাম ও ঠিকানা দিয়ে ফোন করে বাড়ির দাবি জানিয়েছেন। সেই সব আবেদন প্রাথমিক যাচাই পর্বে বিষয়টি নজরে এসেছে। যে ১৬ হাজারের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি, সেগুলির মধ্যে ভুল নাম ও ঠিকানা আছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই এবার মাঠে নেমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে খতিয়ে দেখছেন পঞ্চায়েত ও ব্লকস্তরের কর্মী ও আধিকারিকরা।
এছাড়া যাঁরা সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরে বাড়ির জন্য আগে আবেদন করেছিলেন, তাঁদের পঞ্চায়েত দপ্তরের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে বাড়ির টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। কোন জেলায় কত আবেদন পরীক্ষা করতে হবে, তার একটা তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কোনো জেলায় এই সংখ্যা তিন হাজার, কোথাও দেড় হাজারের বেশি। ব্লক প্রশাসন যাচাইয়ের চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়ার পরই এই ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে পঞ্চায়েত দপ্তর।