নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ফের ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। এছাড়াও আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত দুই দালালকে গ্রেপ্তার করেছে গাংনাপুর থানা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দেবগ্রাম পঞ্চায়েতের গাংনাপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে এই সাফল্য পায় পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত পারাপারের একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। আপাতত মানব পাচার চক্রের বাকিদের খোঁজে তদন্ত করছে গাংনাপুর থানা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত বাংলাদেশি নাগরিকের নাম প্রসেনজিৎ মণ্ডল (৩০)। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার চিতলমারি থানার কৌরমণি এলাকায়। জেরায় সে স্বীকার করেছে, প্রায় দুই বছর আগে অবৈধভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘোরাফেরা করে দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে ছিল। সম্প্রতি ফের অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করে প্রসেনজিৎ। সেই উদ্দেশ্যেই সে গাংনাপুর থানা এলাকায় আসে। পুলিশের দাবি, ওই পারাপারে তাকে সহায়তা করছিল দুই ভারতীয় দালাল। অভিযানে ধরা পড়ে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থানার কালাচাঁদপাড়ার বাসিন্দা সন্দীপ মণ্ডল (২৯) এবং নদীয়া জেলার গাংনাপুর পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা অনুপকুমার মল্লিক (৪৩)। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরেই একটি আন্তর্জাতিক মানব পাচার ও সীমান্ত পারাপার চক্র সক্রিয় রয়েছে। ধৃতদের জেরা করে সেই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। ঘটনায় গাংনাপুর থানায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃত তিনজনকেই আদালতে তোলা হয়েছে। ভারতীয় দুই দালালকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এই মানব পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত এবং তাদের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে সীমান্ত লাগোয়া এলাকার আর কোথায় কোথায়। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের এক কর্তা বলেন, বাংলাদেশি নাগরিক আমরা এর আগে অনেককেই সফলভাবে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। তারা প্রত্যেকেই অবৈধ পথে এই দেশে ঢুকেছিল। বেশ কিছু দালালকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে অনুপ্রবেশের প্রবণতায় কিছুটা গ্রাফ টানা গিয়েছে।। এবার আমরা বাকি যে দুজন অনুপ্রবেশকারীকে হাতে পেয়েছি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মানব পাচার প্রসঙ্গে আরও তথ্য পাব। যা



