Bartaman Logo
৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভিসার মেয়াদ শেষেও ভারতে বাস বাংলাদেশি পরিবারের ঠাঁই হোল্ডিং সেন্টারে

ভারতে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাংলাদেশের একটি পরিবারকে কৃষ্ণনগরের হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে। কেন এ ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ, জানুন।

ভিসার মেয়াদ শেষেও ভারতে বাস বাংলাদেশি পরিবারের ঠাঁই হোল্ডিং সেন্টারে
  • ৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এদেশে থেকে যাওয়ায় নদীয়া জেলায় প্রথম হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে বাংলাদেশের একটি পরিবারকে। কয়েক দিন আগে ভীমপুর থানার পুলিশ নেলুয়া এলাকা থেকে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের আট বছরের সন্তানকে আটক করে। তদন্তে তারা বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে নিশ্চিত হওয়ার পরই ওই পরিবারটিকে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানা এলাকার সৃষ্টিশ্রী ভবনে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দুয়েক আগে গেদে সীমান্ত দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট নিয়েই ভারতে এসেছিল ওই পরিবারটি। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তারা ভারতে থেকে যায়। তারা নদীয়া জেলায় বসবাস শুরু করে। তদন্তকারীদের দাবি, ওই পরিবারের একাধিক সদস্য ভারতের বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করছে। সেই সূত্র ধরেই তারাও ভারতে এসেছিল।
পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, তাদের বাড়ি বাংলাদেশের চুয়াডাঙা জেলার ডুমুরহুদা থানার পুরাতন দত্তপুর এলাকায়। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরপর নিয়ম মেনে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। 
সম্প্রতি ভীমপুরের অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছিল আরও এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কয়েক দিন আগে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে ওই ব্যক্তিকে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। গত ২১মে বাংলাদেশের রাজশাহী এলাকার ওই যুবককে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ এবং নথিপত্র যাচাই করে পুলিশ নিশ্চিত হয় সে বাংলাদেশের বাসিন্দা। আটক যুবক নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক বলেই স্বীকার করে। সে দক্ষিণ দিনাজপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকেছিল। এরপর ট্রেনে প্রথমে হাওড়া এবং পরে কৃষ্ণনগরে আসে। কৃষ্ণনগরে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে পুলিশ তাকে আটক করে। আটকের পর পরিচয় যাচাই ও বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাকে ভীমপুরের অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়। পরে সমস্ত নিয়ম মেনে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে জোরদার নজরদারি চলছে। পাশাপাশি আটক বিদেশি নাগরিকদের পরিচয় যাচাই করে দ্রুত তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সম্পর্কিত সংবাদ