সংবাদদাতা, বনগাঁ: আগামীকাল, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের নির্বাচন। এজন্য ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ। বিএসএফের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে বনগাঁ সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছে বনগাঁর পুলিশও। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন যাবৎ অশান্ত। তাই এই নির্বাচনেও অশান্তির আশঙ্কা প্রবল। ওপার বাংলার শান্তিপ্রিয় নাগরিকরাও উদ্বিগ্ন। ওদেশে অশান্তি হলে তার আঁচ পড়তে পারে সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁয়। এই কারণে প্রশাসন বাড়তি নজরদারি চালাচ্ছে।
বনগাঁ মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা ধরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। অতীতে একাধিকবার বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা কাঁটাতার পেরিয়ে এপারের সীমান্তবর্তী গ্রামে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। পরে চোরাপথেই তারা পালিয়ে যায় ওপারে। পুলিশ তাদের ধরতে পারেনি। ফলে সেসব এলাকায় দুষ্কৃতীদের সম্ভাব্য কার্যকলাপ রুখতে সতর্ক থাকছে পুলিশ। এই প্রসঙ্গে মনে রাখা দরকার যে, এখানে সীমান্তের একাংশে আবার কাঁটাতারের বেড়া নেই। সব মিলিয়ে এপারে আইনের রক্ষকদের উপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে বনগাঁর পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত বলেন, ‘সীমান্তে বিএসএফের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই আমাদের নজরদারি চলছে। যেখানে কাঁটাতারের বেড়া নেই সেখানে থাকছে বাড়তি নজর।’
এদেশে নানা উপলক্ষ্যে আসা বাংলাদেশি নাগরিকরা দেশের নির্বাচনে অংশ নিতে ফিরে যাচ্ছেন। অনেক বাংলাদেশি নাগরিক মঙ্গলবার পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ফিরেও গিয়েছেন। যেমন যশোরের বাসিন্দা অমল ভাস্কর। অমলবাবু বলেন, ‘দিন ১৫ আগে চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলাম। বৃহস্পতিবার নির্বাচন। তাই আজ দেশে ফিরছি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে চাই।’