নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বিদ্যুৎ সংযোগ থেকেও নেই। কারণ লো-ভোল্টেজ। এমন অবস্থায় গরমে পুড়ছে বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বামনগ্রাম হাসিমুদ্দিন হাইস্কুল। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের দ্বারস্থ হয়েও ১২০০ ছাত্রছাত্রীর ভোগান্তির কোনও সমাধান হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক সকলেই।
উচ্চমাধ্যমিক স্তরের এই স্কুলটির পথচলা শুরু ৬২ বছর আগে। তারপর থেকে সাফল্যের সঙ্গেই এগচ্ছে স্কুলটি। কিন্তু গত কয়েক বছরে লো ভোল্টেজের সমস্যায় জর্জরিত গোটা স্কুল। পরিস্থিতি এমন যে, যখন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে যায়, সেই সময়ও ক্লাসরুমে কোনও পাখা চালানো যায় না। এমনকী স্কুলের প্রশাসনিক কাজকর্ম ও ছাত্রছাত্রীদের সরকারি প্রকল্পের কাজ জেনারেটর চালিয়ে করতে হয়। সমস্যা সমাধানে সোমবার রায়গঞ্জের বিডিও এবং বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির দ্বারস্থ হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।
হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মাধব রায় বলেন, গ্রামাঞ্চলের স্কুল হিসেবে পঠনপাঠনে আমাদের স্কুলে সমস্তরকম ব্যবস্থা আছে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে লো-ভোল্টেজের সমস্যা চলছে। যার জন্য চরম ভোগান্তির শিকার ছোট ছোট পড়ুয়া থেকে শিক্ষক, শিক্ষিকারা।
স্কুলের কাছে একটি ট্রান্সফর্মার বসানো রয়েছে, সেটি সেভাবে লোড নিতে পারে না। সেকথা সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বণ্টন আধিকারিক ও প্রশাসনকে কয়েকবার জানানো হয়েছে। সম্প্রতি আমরা আবার সমস্যা মেটাতে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি। সোমবার প্রশাসনকে জানিয়েছি। রায়গঞ্জের বিডিওকে সমস্যার বিষয় জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের অভিভাবকদের সঙ্গেও বৈঠকে করব।
এপ্রসঙ্গে বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির উত্তর দিনাজপুরের রিজিওনাল ম্যানেজার মানু চন্দ্র বর্মন বলেন, বামনগ্রাম হাসিমুদ্দিন হাইস্কুলের সমস্যার সমাধানে আমাদের কাজের অর্ডার হয়ে আছে। একটি ট্রান্সফরমার বসানোর কথা। কিন্তু স্থানীয় কিছু সমস্যার জন্য সেই কাজ করা যাচ্ছে না। - নিজস্ব চিত্র