নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও বারাসত: রাস্তায় বসে বা ভ্যানে করে বই বিক্রির ছবি আগে দেখা গিয়েছিল। এবার স্কুটারের সিটে বই রেখে বিক্রির চিত্রও দেখা গেল। দীপাবলির সময় বামেদের বই বিপণিতে ‘বাধা’ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। যাদবপুর থেকে বালিগঞ্জ— সিপিএমের অভিযোগ, লালবাজার ও স্থানীয় বরো অফিসে বই বিপণির খবর জানানো হলেও পুলিশ বেশ কিছু এলাকায় বই নিয়ে বসতে বাধা দিয়েছে। যাদবপুরে লায়েলকা মাঠ, কসবা, বালিগঞ্জের কোয়েস্ট মলের সামনে পুলিশ এসেছিল। যাদবপুরে সিপিএমের স্থানীয় নেতৃত্ব বই বিপণি নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের বক্তব্য পুলিশকে জানায়। কিছুদিন আগেই বই বিপণিতে আক্রমণ নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহম্মদ সেলিমরা। কমিশন বলে, রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে উত্তর দিতে হবে। ডিওয়াইএফআই নেতা সৈনিক শূর বলেন, লালবাজারের যুগ্ম কমিশনার (সদর) ও স্থানীয় বরোয় আমরা জানিয়েছিলাম, কতগুলি জায়গায় স্টল করছি। আমরা এখানে কোনো বাঁশ বেঁধে স্টল করিনি। শুধু টেবিল পেতে বই বিক্রি করা হচ্ছিল। কিন্তু পুলিশ এসে বলে, এখানে স্টল করলে ট্রাফিকের সমস্যা হবে। তাই স্কুটারের সিটে বই রেখে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি। এদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম ও হাবড়াতেও সিপিএমের বুক স্টল ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মধ্যমগ্রামের কালুপাড়া পঞ্চায়েত এবং হাবড়ার খাড়োবাজারে সিপিএমের স্টল ভাঙচুর ও তছনছ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। দুই জায়গাতেই বইপত্র রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপির দিকে অভিযোগের তির সিপিএমের। যদিও বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নৈহাটিতে এসএফআইয়ের একটি স্টলেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।



