নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাড়িতে ঢুকে মারধরের উঠল বজরং দলের কসবা সাংগঠনিক জেলার সংযোজকের বিরুদ্ধে। এছাড়া ছিনতাই, শ্লীলতাহানিসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গরফা থানা এলাকার পূর্বাচল হসপিটাল রোডে। তদন্তে নেমে অভিযুক্ত দীপ সরকারকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে গরফা থানা। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী শঙ্কর বসাক ও তাঁর স্ত্রী পুরানো বিজেপি কর্মী। কিন্তু এখন সক্রিয় নন। পূর্ব যাদবপুরে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা মারধরের প্রতিবাদও করেন। এই নিয়ে দীপের সঙ্গে তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় তাঁদের। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে শঙ্করবাবু জানিয়েছেন, ২২ সেপ্টম্বর রাত সাড়ে দশটা নাগাদ দীপ সঙ্গীদের নিয়ে তাঁর বাড়িতে চড়াও হন। দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢোকেন। শঙ্করবাবুর মুখে ঘুসি মারেন। স্ত্রী বাধা দিতে এলে তাঁকেও মারধর করেন অভিযুক্তরা। তাঁর গলার সোনার চেন ও দুটি মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে পালান। এমনকি মহিলার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। রীতিমতো তাণ্ডব চালান সকলে মিলে। অভিযুক্তরা চলে গেলে শঙ্করবাবু গরফা থানায় অভিযোগ করলে, তার ভিত্তিতে পুলিশ ছিনতাই, শ্লীলতাহানি, মারধরসহ একাদিক ধারায় কেস রুজু করে। ঘটনার পর থেকেই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না অভিযুক্তের। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর বাড়িতে আসার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছে ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার অভিযুক্তকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তের আইনজীবী ত্রিদিব দাস দাবি করেছেন, দীপকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ঘটনার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। পুরোটাই রাজনৈতিক চক্রান্ত। যদিও স্থানীয়রা দাবি করেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর অভিযুক্ত নেতার দাদাগিরি বেড়ে গিয়েছে এলাকায়। বজরং দলের দক্ষিণবঙ্গ সংযোজক শঙ্কর বসু বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে দীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে।



