Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বারুইপুরে চালু হল না বাজি সেলিং হাব, ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

বারুইপুরের কাটাখাল-উত্তরভাগ বাইপাসে ২০২৪ সালে আতশবাজি বিক্রির জন্য সেলিং হাবের শিলান্যাস হয়েছিল।

বারুইপুরে চালু হল না বাজি  সেলিং হাব, ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা
  • ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: বারুইপুরের কাটাখাল-উত্তরভাগ বাইপাসে ২০২৪ সালে আতশবাজি বিক্রির জন্য সেলিং হাবের শিলান্যাস হয়েছিল। ৪৮০টি সবুজ বাজি বিক্রির দোকান নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল রাজ্যের ক্ষুদ্র শিল্প দপ্তর। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে মাত্র ৪২টি দোকান তৈরি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তা চালু না হয়ে পড়ে রয়েছে। বাকি দোকান কবে তৈরি হবে তাও জানেন না ব্যবসায়ীরা। ফলে তাঁরা বেজায় ক্ষুব্ধ। বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক বিভাস সর্দার অবশ্য বলেন, বিষয়টি নজরে আছে। আমরা দেখছি। বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার বেগমপুর পঞ্চায়েতের কাটাখাল-উত্তরভাগ বাইপাসে খালের ধারে ২ কোটি ৪৮ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকায় এই সেলিং হাব নির্মিত হচ্ছে। গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শিলান্যাস করেছিলেন। তার কয়েক দিনের মধ্যেই তড়িঘড়ি কাজ শুরু যায়। কয়েকটি দোকান তৈরি হয়ে রঙের প্রলেপও পড়েছে। মোট ৬২ বিঘে জায়গা জুড়ে এই হাব তৈরি হচ্ছে। বারুইপুর ব্লকের সাউথ গড়িয়া, বেগমপুর, চম্পাহাটি পঞ্চায়েতের এক লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই বাজি শিল্পের উপরে নির্ভরশীল। এছাড়াও উত্তর পুড়িতে ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট গড়ে তোলার জন্য প্রশাসন থেকে জায়গা দেখা হলেও কাজ এগোয়নি বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। এই সেলিং হাব না চালু হওয়ায় হাড়ালে এবছরও চলছে বাজির বাজার। বাজি ব্যবসায়ী অর্জুন মণ্ডল বলেন, সেলিং হাব দ্রুত চালু হলে অনেক মানুষ উপকৃত হতো। আমরাও প্রশাসন ও ক্ষুদ্র শিল্প দপ্তরের কাছে বারংবার আবেদন জানিয়েছি, কাজ দ্রুত হোক। বিধায়ক নিজে উদ্যোগ নিয়েছেন। তারপরেও কেন কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে বলতে পারছি না।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ