সংবাদদাতা, সিউড়ি: বীরভূমে বেআইনি পেট্রল পাম্প তৈরি করে দেদার বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি তেল। সম্প্রতি জেলায় একটি পেট্রল পাম্পে বিস্ফোরণের পর পেট্রল পাম্প ডিলাররা নড়েচড়ে বসেছিলেন। তাঁদের সংগঠনের তরফে অবৈধ পাম্প চিহ্নিত করে জেলা পুলিস ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগও জানানো হয়েছে। তাড়াতাড়ি বেআইনি মিনি পেট্রল পাম্প বন্ধ করে কারবারিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে পাম্প ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছে পেট্রলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে বীরভূমের পাড়ুই থানার বাতিকার বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি পেট্রল পাম্পে বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে। পেট্রল পাম্পের মালিক শেখ বদরুলের ছেলে শেখ রাজু ও তেল ট্যাঙ্কারের চালক শেখ সোহেল জখম হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, কয়েকবছর আগে বেআইনিভাবে ওই পেট্রল পাম্পটি চালু হয়েছিল।
এঘটনার পরই পেট্রল পাম্প ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন নড়েচড়ে বসে। তাদের অভিযোগ, রাজ্যে শুধুমাত্র এই জেলাতেই প্রচুর এরকম মিনি পাম্প তৈরি হয়েছে। তাই এধরনের পাম্প বন্ধে পদক্ষেপ করতে শনিবার সিউড়িতে একটি বেসরকারি হোটেলে জেলার সমস্ত পাম্প মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন সংগঠনের রাজ্য পদাধিকারীরা।
বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে সংগঠনের তরফে জানানো হয়, ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশা থেকে কম দামে পেট্রল কিনে এই জেলায় পাচার করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের মদতে সেই তেল অবৈজ্ঞানিকভাবে ছোট গাড়িতে মিনি পেট্রল পাম্পে এনে বিক্রি করা হচ্ছে। মাত্র পাঁচ-ছয় লক্ষ টাকায় বৈধ পেট্রল পাম্পের বাতিল করা যন্ত্র কিনে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজে বেআইনি অর্থ বিনিয়োগ চক্রও জড়িয়ে রয়েছে। জেলাজুড়ে প্রায় ৪০টি এধরনের অবৈধ মিনি পাম্প চিহ্নিত করা হয়েছে। বাতিকার, দেবগ্রাম, গোলাপবাগ, গোলুটিয়া, গুনসিমা, হাঁসরা, জালালপুর, পণ্ডিতপুর, রঙ্গুনি, সারিবাগান সহ অনেক জায়গায় বেআইনি পেট্রল পাম্প রয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় এক-দেড় লক্ষ লিটার পেট্রল বেআইনি পাম্পে বিক্রি হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিউড়ির এক বাসিন্দা বলেন, বেআইনি মিনি পাম্প থেকে যে পেট্রল, ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে-তাতে ভেজাল মেশানো হচ্ছে কিনা কে জানে। তাই এধরনের অবৈধ পেট্রল পাম্প বন্ধ করতে প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নিক-এটাই চাইছি।
এই জেলায় প্রায় ২০০ বৈধ পাম্প রয়েছে। সেখানে মাসে ২০হাজার কিলোলিটার তেল বিক্রি হয়। যা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ভালো টাকা রাজস্ব পায়। কিন্তু এই অবৈধ পাম্প থেকে বিপুল টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। বৈধ পেট্রল পাম্প মালিকদের দাবি, এর আগে হাওড়াতে এধরনের একটি ঘটনায় পুলিস কড়া ব্যবস্থা নিয়েছিল। কিন্তু রাজ্যের শুধুমাত্র বীরভূম জেলাতেই এখন রমরমিয়ে অবৈধ মিনি পেট্রল পাম্প চলছে। এদিন সংগঠনের রাজ্যস্তরের কার্যনির্বাহী সভাপতি প্রসেনজিৎ সেন ও সাধারণ সম্পাদক কল্যাণ মান্না বলেন, আমরা এই জেলার পুলিস ও প্রশাসনকে লিখিতভাবে পুরো বিষয়টি জানিয়েছি। রাজ্যের শুধুমাত্র এই জেলাতেই বেআইনিভাবে মিনি পাম্প চলছে। বেআইনি অর্থ বিনিয়োগকারী মাফিয়াচক্র এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি এই পাম্প বন্ধে ব্যবস্থা না নিলে কিছুদিন পর রাজ্য সরকারকে জানাব। সেইসঙ্গে আমরা ডিলাররা ধর্মঘটে নামব।
এঘটনার পরই পেট্রল পাম্প ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন নড়েচড়ে বসে। তাদের অভিযোগ, রাজ্যে শুধুমাত্র এই জেলাতেই প্রচুর এরকম মিনি পাম্প তৈরি হয়েছে। তাই এধরনের পাম্প বন্ধে পদক্ষেপ করতে শনিবার সিউড়িতে একটি বেসরকারি হোটেলে জেলার সমস্ত পাম্প মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন সংগঠনের রাজ্য পদাধিকারীরা।
বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে সংগঠনের তরফে জানানো হয়, ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশা থেকে কম দামে পেট্রল কিনে এই জেলায় পাচার করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের মদতে সেই তেল অবৈজ্ঞানিকভাবে ছোট গাড়িতে মিনি পেট্রল পাম্পে এনে বিক্রি করা হচ্ছে। মাত্র পাঁচ-ছয় লক্ষ টাকায় বৈধ পেট্রল পাম্পের বাতিল করা যন্ত্র কিনে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজে বেআইনি অর্থ বিনিয়োগ চক্রও জড়িয়ে রয়েছে। জেলাজুড়ে প্রায় ৪০টি এধরনের অবৈধ মিনি পাম্প চিহ্নিত করা হয়েছে। বাতিকার, দেবগ্রাম, গোলাপবাগ, গোলুটিয়া, গুনসিমা, হাঁসরা, জালালপুর, পণ্ডিতপুর, রঙ্গুনি, সারিবাগান সহ অনেক জায়গায় বেআইনি পেট্রল পাম্প রয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় এক-দেড় লক্ষ লিটার পেট্রল বেআইনি পাম্পে বিক্রি হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিউড়ির এক বাসিন্দা বলেন, বেআইনি মিনি পাম্প থেকে যে পেট্রল, ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে-তাতে ভেজাল মেশানো হচ্ছে কিনা কে জানে। তাই এধরনের অবৈধ পেট্রল পাম্প বন্ধ করতে প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নিক-এটাই চাইছি।
এই জেলায় প্রায় ২০০ বৈধ পাম্প রয়েছে। সেখানে মাসে ২০হাজার কিলোলিটার তেল বিক্রি হয়। যা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ভালো টাকা রাজস্ব পায়। কিন্তু এই অবৈধ পাম্প থেকে বিপুল টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। বৈধ পেট্রল পাম্প মালিকদের দাবি, এর আগে হাওড়াতে এধরনের একটি ঘটনায় পুলিস কড়া ব্যবস্থা নিয়েছিল। কিন্তু রাজ্যের শুধুমাত্র বীরভূম জেলাতেই এখন রমরমিয়ে অবৈধ মিনি পেট্রল পাম্প চলছে। এদিন সংগঠনের রাজ্যস্তরের কার্যনির্বাহী সভাপতি প্রসেনজিৎ সেন ও সাধারণ সম্পাদক কল্যাণ মান্না বলেন, আমরা এই জেলার পুলিস ও প্রশাসনকে লিখিতভাবে পুরো বিষয়টি জানিয়েছি। রাজ্যের শুধুমাত্র এই জেলাতেই বেআইনিভাবে মিনি পাম্প চলছে। বেআইনি অর্থ বিনিয়োগকারী মাফিয়াচক্র এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি এই পাম্প বন্ধে ব্যবস্থা না নিলে কিছুদিন পর রাজ্য সরকারকে জানাব। সেইসঙ্গে আমরা ডিলাররা ধর্মঘটে নামব।



