সুমন তেওয়ারি, আসানসোল: ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে বহুতল। যেগুলির একাংশ পুরসভার নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। স্বভাবতই অভিযোগের পাহাড় জমা হচ্ছে দুর্গাপুর পুরসভায়। কখনও অভিযোগ উঠছে খাস জমি, কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার জমি দখল করে বাড়ি হচ্ছে। সম্পূর্ণ অন্ধকারে থেকে যাচ্ছে পুরসভা। কোথাও অভিযোগ আরও গুরুতর। পুকুর কিংবা জলা জমি দখল করেও বহুতল নির্মাণ হচ্ছে। ভুক্তভোগী হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। টাটকা উদাহরণ একদিনের বৃষ্টিতে দুর্গাপুর শহরের জলের তলায় চলে যাওয়া। সব দেখেশুনে বীতশ্রদ্ধ পুরসভা এবার অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছে। পুরসভার শেষ বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অভিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাথায় রেখে কমিটি গঠন করা হবে। তারা প্রতিটি অভিযোগ সরেজমিনে খতিয়ে দেখবে। তখনই অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর সেই ব্যবস্থা হবে অত্যন্ত কঠোর। অবৈধ নির্মাণ নিয়ে তৎপর হয়েছে আসানসোল পুরসভাও। তাঁদের প্রাথমিক লক্ষ্য বেসরকারি কারখানাগুলি। বহুদিন ধরেই মোটা টাকা ফাইন করে নোটিস গেলেও কোনও তৎপরতা দেখা যায়নি মালিক পক্ষের। এবার অবৈধ নির্মাণ ভাঙার আইনি রাস্তা খুজছে পুরসভা।
Advertisement
দুর্গাপুর পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘শহরের অবৈধ নির্মাণ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ আসছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিতাভবাবুকে মাথায় থেকে কমিটি অভিযোগ গুলির তদন্ত করবে।’ দুর্গাপুর পুরসভার মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই ফাইন করা হলেও বেসরকারি কারখানাগুলি তাতে কর্ণপাত করেনি। শেষ মিটিংয়ে তারা ১৫ দিন সময়ে চেয়েছে। সেই সময়সীমা পার হলেই ডিসেম্বর থেকে অ্যাকশন শুরু হবে।’
বিধাননগর হোক বা সিটি সেন্টার। গোপাল মাঠ থেকে বেনাচিতি—সর্বত্র গগনচুম্বি অট্টালিকা উঠছে দুর্গাপুরে। বহুতল নির্মাণের পাশাপাশি প্রাসাদের আকারে একের পর এক বাড়ি গজিয়ে উঠছে। গড়ে উঠছে নতুন নতুন কলোনি। দক্ষিণবঙ্গের হেলথ ও এডুকেশন হাবে পরিণত হওয়া দুর্গাপুরে বসতি বাড়ছে। অট্টালিকা নির্মাণ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্ত সেই নির্মাণের একটা বড় অংশ হচ্ছে আইন ভেঙে। কোথাও রাস্তা ড্রেন দখল করে বাড়ি তৈরির অভিযোগ। কোথাও সরকারি জায়গায় পুকুরের পাড় দখল করে বহুতল নির্মাণের অভিযোগ। এছাড়া সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে বিভিন্ন সংস্থার কোয়ার্টার লিজ নিয়ে পুরসভা থেকে কোনওরকম প্ল্যান পাস না করিয়ে প্রাসাদ বানিয়ে নিচ্ছেন অনেকে। নির্বিচারে জমি দখল হচ্ছে। অবশেষে সক্রিয়তা দেখিয়েছে পুরসভা। দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমির নথি পরিবর্তন করে যেভাবে নির্মাণকাজ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তাতে বার বার প্রভাবশালী যোগ সামনে এসেছে। রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের অনেকের টাকা দুর্গাপুরের প্রমোটারিতে খাটছে বলে অভিযোগ। অনেক জমির দালাল আবার রাজনৈতিক নেতাদের ঘনিষ্ঠ। তাই পুরসভা কতটা কঠোর হতে পারবে সেদিকে নজর সবার।
অন্যদিকে, আসানসোলের অবৈধ নির্মাণের রমরমা। জামুড়িয়া এলাকায় বড় বড় কারখানাগুলি পুরসভার প্ল্যান পাস না করিয়েই বাড়তি জমিতে বিশাল বিশাল নির্মাণ গড়ে তোলা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার ফাইনের নোটিস ইস্যু হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। প্রথমে কিছুটা চর্চার পর বিষয়টি রহস্যজনক ভাবে ঠান্ডা করে চলে যায়। যদিও মেয়রের দাবি, ফাইন না দিলে এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিধাননগর হোক বা সিটি সেন্টার। গোপাল মাঠ থেকে বেনাচিতি—সর্বত্র গগনচুম্বি অট্টালিকা উঠছে দুর্গাপুরে। বহুতল নির্মাণের পাশাপাশি প্রাসাদের আকারে একের পর এক বাড়ি গজিয়ে উঠছে। গড়ে উঠছে নতুন নতুন কলোনি। দক্ষিণবঙ্গের হেলথ ও এডুকেশন হাবে পরিণত হওয়া দুর্গাপুরে বসতি বাড়ছে। অট্টালিকা নির্মাণ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্ত সেই নির্মাণের একটা বড় অংশ হচ্ছে আইন ভেঙে। কোথাও রাস্তা ড্রেন দখল করে বাড়ি তৈরির অভিযোগ। কোথাও সরকারি জায়গায় পুকুরের পাড় দখল করে বহুতল নির্মাণের অভিযোগ। এছাড়া সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে বিভিন্ন সংস্থার কোয়ার্টার লিজ নিয়ে পুরসভা থেকে কোনওরকম প্ল্যান পাস না করিয়ে প্রাসাদ বানিয়ে নিচ্ছেন অনেকে। নির্বিচারে জমি দখল হচ্ছে। অবশেষে সক্রিয়তা দেখিয়েছে পুরসভা। দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমির নথি পরিবর্তন করে যেভাবে নির্মাণকাজ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তাতে বার বার প্রভাবশালী যোগ সামনে এসেছে। রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের অনেকের টাকা দুর্গাপুরের প্রমোটারিতে খাটছে বলে অভিযোগ। অনেক জমির দালাল আবার রাজনৈতিক নেতাদের ঘনিষ্ঠ। তাই পুরসভা কতটা কঠোর হতে পারবে সেদিকে নজর সবার।
অন্যদিকে, আসানসোলের অবৈধ নির্মাণের রমরমা। জামুড়িয়া এলাকায় বড় বড় কারখানাগুলি পুরসভার প্ল্যান পাস না করিয়েই বাড়তি জমিতে বিশাল বিশাল নির্মাণ গড়ে তোলা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার ফাইনের নোটিস ইস্যু হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। প্রথমে কিছুটা চর্চার পর বিষয়টি রহস্যজনক ভাবে ঠান্ডা করে চলে যায়। যদিও মেয়রের দাবি, ফাইন না দিলে এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।



