সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়ি মহকুমার বিভিন্ন শহরে চলছে বেআইনি মিনি গ্যাস সিলিন্ডারের রমরমা। বর্ধিত গ্যাসের দাম থেকে মুক্তি পেতে বহু মানুষ ছোট সিলিন্ডারের রান্নার গ্যাস ব্যবহার করছেন। বিপজ্জনক এই গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহারে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। সিউড়ি শহরে বিভিন্ন জায়গায় একাধিক দোকান থেকে বড় রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ভরা হচ্ছে ছোট ছোট বেআইনি সিলিন্ডার।
Advertisement
রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির জেরে সিউড়ি মহকুমার সিউড়ি, সাঁইথিয়া, দুবরাজপুর সহ বেশকিছু শহরে রমরমিয়ে চলছে বেআইনি ছোট রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের ব্যবসা। সরকার অনুমোদিত বড় গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে বিপজ্জনকভাবে ছোট রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে ভরা হচ্ছে গ্যাস। ৫ কেজি, ৮ কেজি, ১২ কেজি ইত্যাদি মাপের গ্যাসের সিলিন্ডার বিকোচ্ছে বাজারে। সেই সঙ্গে রয়েছে ছোট গ্যাসের ওভেন ও রেগুলেটর। সাধারণত সিলিন্ডারের রেগুলেটর বিনামূল্যেই সরকারিভাবে দেওয়া হয় গ্রাহকদের। অর্থাৎ গ্যাসের মিনি সিলিন্ডার, ওভেন, পাইপ, রেগুলেটর সব কিছুই বেআইনি ভাবে বিক্রি হচ্ছে বাজারে। আর সেই গ্যাসের সিলিন্ডার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন শহরের মানুষ। বর্ধিত রান্নার গ্যাসের দামের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে অনুমোদিত সিলিন্ডারের বদলে বেআইনি ছোট সিলিন্ডারেই ভরসা রাখছেন দরিদ্ররা। তাঁদের অভিযোগ, কেন্দ্র সরকারের উজ্জ্বলা যোজনা প্রকল্প পুরোপুরি ব্যর্থ। অধিকাংশ গ্রাহকই বর্ধিত মূল্যের কারণে বড় গ্যাস কিনতে পারছেন না। তাই ছোট গ্যাসের দাম বেশি হলেও কম পরিমাণে কেনার সুবিধা আছে তাতে। যেখানে সরকারিভাবে কেজি প্রতি গ্যাসের দাম প্রায় ৪৫ টাকা। সেখানে এইসব ছোট সিলিন্ডার গুলিতে গ্যাস ভরার জন্য গ্রাহকদের দাম দিতে হয় কেজি প্রতি প্রায় ৯০ টাকা বা তার বেশি।
এদিকে মানুষের চাহিদা মতো ছোট সিলিন্ডারে গ্যাস ভরতে গিয়ে কোনও নিরাপত্তা ছাড়ায় বিপজ্জনক পদ্ধতি অবলম্বন করছেন এইসব ব্যবসায়ী। পাড়ার মোড়ে জনবহুল এলাকায় একটি ছোট্ট দোকানের মধ্যে বড় সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে ছোট সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি করা হচ্ছে। এমনকী বেআইনিভাবে বেনামে বড় গ্যাসের সিলিন্ডারও মজুত করছেন তাঁরা। এতে কোনও নিরাপত্তা না থাকায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মতো বিপদের ঝুঁকি সব সময় থাকছে।
বীরভূমের সিউড়ি, সাঁইথিয়া, দুবরাজপুর সহ বিভিন্ন শহর এবং গ্রামাঞ্চলে ছোট গ্যাসের দোকান রয়েছে একাধিক। এইসব দোকান থেকে দুই কেজি, চার কেজি, আট কেজি মাপের গ্যাসের সিলিন্ডার দেদার বিকোচ্ছে। যদিও এই প্রসঙ্গে কোনও হেলদোল নেই জেলা প্রশাসনের। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বড়সড় বিপদ না ঘটলে প্রশাসনের টনক নড়বে না।
জেলা প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ছোট রান্নার গ্যাস একেবারেই অবৈধ। এই গ্যাস রিফিল করা বা ব্যবহার করা দু’টিই বিপজ্জনক ও বেআইনি। কিন্তু বড় সিলিন্ডার না কিনতে পেরে কম টাকায় রান্নার গ্যাস কেনার জন্য এই সিলিন্ডার ব্যবহার করেন। অথবা বিভিন্ন পড়ুয়া নিজেদের মেস ও হস্টেলে সামান্য রান্না করার জন্য এই গ্যাস ব্যবহার করছেন ঠিকই, কিন্তু এটা বন্ধ হওয়া দরকার।
এদিকে মানুষের চাহিদা মতো ছোট সিলিন্ডারে গ্যাস ভরতে গিয়ে কোনও নিরাপত্তা ছাড়ায় বিপজ্জনক পদ্ধতি অবলম্বন করছেন এইসব ব্যবসায়ী। পাড়ার মোড়ে জনবহুল এলাকায় একটি ছোট্ট দোকানের মধ্যে বড় সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে ছোট সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি করা হচ্ছে। এমনকী বেআইনিভাবে বেনামে বড় গ্যাসের সিলিন্ডারও মজুত করছেন তাঁরা। এতে কোনও নিরাপত্তা না থাকায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মতো বিপদের ঝুঁকি সব সময় থাকছে।
বীরভূমের সিউড়ি, সাঁইথিয়া, দুবরাজপুর সহ বিভিন্ন শহর এবং গ্রামাঞ্চলে ছোট গ্যাসের দোকান রয়েছে একাধিক। এইসব দোকান থেকে দুই কেজি, চার কেজি, আট কেজি মাপের গ্যাসের সিলিন্ডার দেদার বিকোচ্ছে। যদিও এই প্রসঙ্গে কোনও হেলদোল নেই জেলা প্রশাসনের। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বড়সড় বিপদ না ঘটলে প্রশাসনের টনক নড়বে না।
জেলা প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ছোট রান্নার গ্যাস একেবারেই অবৈধ। এই গ্যাস রিফিল করা বা ব্যবহার করা দু’টিই বিপজ্জনক ও বেআইনি। কিন্তু বড় সিলিন্ডার না কিনতে পেরে কম টাকায় রান্নার গ্যাস কেনার জন্য এই সিলিন্ডার ব্যবহার করেন। অথবা বিভিন্ন পড়ুয়া নিজেদের মেস ও হস্টেলে সামান্য রান্না করার জন্য এই গ্যাস ব্যবহার করছেন ঠিকই, কিন্তু এটা বন্ধ হওয়া দরকার।



