নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি ছুটছে আধুনিক যুগের ভিস্তিওয়ালা। তবে বাঁকে জলের ড্রাম বা চামড়ার খোলে করে জল নয়। রীতিমতো কাঁধে কুড়ি লিটারের ডাব্বা নিয়েই ছুটছেন তাঁরা।
Advertisement
এভাবেই বহু গৃহস্থের বাড়িতে পানীয় জলের জোগান দিয়ে যাচ্ছেন জলের কারখানার কর্মীরা। দক্ষিণ দমদমে পানীয় জলের সঙ্কট। জলপ্রকল্প থেকে পুরসভা যে জল পায়, তাতে সব মহল্লায় পানীয় জলের চাহিদা মেটে না। কারণ একের পর এক বহুতল গজিয়ে ওঠায় গোটা এলাকার জনবিন্যাস আমূল বদলে গিয়েছে। এই জনবিস্ফোরণের ফলে জলের চাহিদা রকেট গতিতে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এর মধ্যেই আবার গঙ্গার জলের নাব্যতা কমেছে। যে কারণে জলের জোগান আগের তুলনায় অনেকটাই কমেছে । এই জল সঙ্কটের বাজারে মুনাফা লুটতে আসরে নেমে পড়েছে অগুন্তি পানীয় জলের কারখানা। তারা বেআইনিভাবে ভূগর্ভের জল তুলে দিব্যি বেচে দিচ্ছে বাসিন্দাদের। তাদের সকলের সরকারি অনুমোদন নেই। এই অনুমোদনহীন জল কারখানার বিরুদ্ধে এবার কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চলেছে দক্ষিণ দমদম পুরসভা। সেইমতো ওয়ার্ড ভিত্তিক তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। সেখানে সারপ্রাইজ ভিজিট করবেন পুরসভার জল বিভাগের আধিকারিকরা। বৈধ কাগজপত্র না থাকলে সেইসব কারখানা বন্ধ তো করা হবেই, পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
দক্ষিণ দমদমে জনসংখ্যা বাড়লেও সেই হারে পানীয় জলের জোগান বাড়েনি, উল্টে কমেছে। পুরসভার পরিসংখ্যানেই তা স্পষ্ট। ট্রান্স মিউনিসিপ্যাল ওয়াটার প্রজেক্ট থেকে দমদমের তিনটি পুরসভা জল পায়। দেখা যাচ্ছে, শুধু দক্ষিণ দমদম নয়, দমদম ও উত্তর দমদমেও একই দশা। জলপ্রাপ্তি সকলেরই কমেছে। দক্ষিণ দমদম পুরসভা এই প্রকল্প থেকে ২০১৭ সালে ১০ এমজিডি জল পেত। তা কমতে কমতে ২০২৪ সালে এসে পেয়েছে ৭.৮৬ এমজিডি জল। এই ঘাটতি পোষাতে পুরসভা নিজেই পাম্প বসিয়ে জল তুলছে। পুরসভার জল বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, গত পাঁচ বছরে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর প্রায় ৩০ ফুট নেমে গিয়েছে। গ্রীষ্মে তা আরও নামে। ফলে পুরসভার পাম্প দিয়েও পর্যাপ্ত জল উঠছে না। এরমধ্যে একাধিক নতুন বহুতল পুরসভার কাছে জল চেয়ে আবেদন করেছে। সেই চাহিদা মেটাতে পারছে না পুরসভা। এই অবস্থায় বহুতলের আবাসিকরা অনুমোদন ছাড়াই নিজেরা পাম্প বসিয়ে ভূগর্ভের জল তুলে নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। জলের এই সঙ্কটের বাজারে বেকার যুবকরা দেদার জলের কারখানা খুলে বসেছেন। কোথাও আবার কাউন্সিলাররাও এই ব্যবসায় নেমে পড়েছেন। সাধারণ মানুষ এই জলই কিনে খাচ্ছেন। কিন্তু তা কতটা পরিশুদ্ধ, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তা দেখার কেউ নেই। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ দমদম পুরসভা বেআইনি জলের কারখানার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পুরসভার সিআইসি (জল) মৃন্ময় দাস বলেন, ওয়ার্ড ভিত্তিক জল কারখানার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সকলের কাগজপত্র খতিয়ে দেখে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে শহরের একটি বড় আবাসনে এভাবে জল তোলা নিয়ে গ্রিন ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে। আমরা বাসিন্দাদের পর্যাপ্ত জল দিতে পারছি না। পানীয় জলের সমস্যার সমাধান করা না গেলে আগামী দিনে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হবে।
দক্ষিণ দমদমে জনসংখ্যা বাড়লেও সেই হারে পানীয় জলের জোগান বাড়েনি, উল্টে কমেছে। পুরসভার পরিসংখ্যানেই তা স্পষ্ট। ট্রান্স মিউনিসিপ্যাল ওয়াটার প্রজেক্ট থেকে দমদমের তিনটি পুরসভা জল পায়। দেখা যাচ্ছে, শুধু দক্ষিণ দমদম নয়, দমদম ও উত্তর দমদমেও একই দশা। জলপ্রাপ্তি সকলেরই কমেছে। দক্ষিণ দমদম পুরসভা এই প্রকল্প থেকে ২০১৭ সালে ১০ এমজিডি জল পেত। তা কমতে কমতে ২০২৪ সালে এসে পেয়েছে ৭.৮৬ এমজিডি জল। এই ঘাটতি পোষাতে পুরসভা নিজেই পাম্প বসিয়ে জল তুলছে। পুরসভার জল বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, গত পাঁচ বছরে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর প্রায় ৩০ ফুট নেমে গিয়েছে। গ্রীষ্মে তা আরও নামে। ফলে পুরসভার পাম্প দিয়েও পর্যাপ্ত জল উঠছে না। এরমধ্যে একাধিক নতুন বহুতল পুরসভার কাছে জল চেয়ে আবেদন করেছে। সেই চাহিদা মেটাতে পারছে না পুরসভা। এই অবস্থায় বহুতলের আবাসিকরা অনুমোদন ছাড়াই নিজেরা পাম্প বসিয়ে ভূগর্ভের জল তুলে নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। জলের এই সঙ্কটের বাজারে বেকার যুবকরা দেদার জলের কারখানা খুলে বসেছেন। কোথাও আবার কাউন্সিলাররাও এই ব্যবসায় নেমে পড়েছেন। সাধারণ মানুষ এই জলই কিনে খাচ্ছেন। কিন্তু তা কতটা পরিশুদ্ধ, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তা দেখার কেউ নেই। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ দমদম পুরসভা বেআইনি জলের কারখানার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পুরসভার সিআইসি (জল) মৃন্ময় দাস বলেন, ওয়ার্ড ভিত্তিক জল কারখানার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সকলের কাগজপত্র খতিয়ে দেখে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে শহরের একটি বড় আবাসনে এভাবে জল তোলা নিয়ে গ্রিন ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে। আমরা বাসিন্দাদের পর্যাপ্ত জল দিতে পারছি না। পানীয় জলের সমস্যার সমাধান করা না গেলে আগামী দিনে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হবে।



