Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেআইনি বালি কারবারে রাশ টানায় সঙ্কটে বাংলার বাড়ির উপভোক্তারা

বেআইনি বালি কারবারে রাশ টানায় সঙ্কটে বাংলার বাড়ির উপভোক্তারা
  • ৫ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, সিউড়ি: লাগাতার অভিযান চালিয়ে বেআইনি বালি পাচারে কিছুটা হলেও রাশ টেনেছে জেলা প্রশাসন। শুধু বৈধ বালিঘাটই চলছে। কিন্তু তাতে ঝক্কি বেড়েছে বাংলাব বাড়ির উপভোক্তাদের। কম দামে বেআইনি বালির সরবরাহে ছেদ পড়ায় বেড়েছে বালির দাম। ইতিমধ্যেই বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে এসেছে। তাই ব্লক স্তরে বিভিন্ন বৈধ বালিঘাটগুলি থেকে কীভাবে বাড়ির ঠিকাদার বা উপভোক্তাদের বালি দেওয়া যায়, তা নিয়ে কিছু পরিকল্পনা করেছে প্রশাসন। তবে তা নিয়ে এখনই মুখ খুলতে চাননি প্রশাসনিক কর্তারা। তবে প্রশাসনিক আধিকারিকদের দাবি, বাংলার বাড়ির উপভোক্তারা কোনও ভাবেই সমস্যায় পড়বেন না। তাঁদের বাড়ি তৈরিতে বাধা পড়বে না। 
Advertisement
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর মাসের শেষ অবধি এই জেলার প্রায় ৬০ হাজার উপভোক্তা বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছে। উপভোক্তারা সবাই বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেছেন কিনা তার জন্য প্রতিটি ব্লকে বিডিওর নেতৃত্বে বিশেষ টিম নজরদারি করছে। উপভোক্তারা বাড়ি তৈরির উপকরণ সঠিক দামে বাজার থেকে পাচ্ছেন কিনা, বা উপকরণের গুণমান, পর্যাপ্ত জোগান আছে কি না, সবই খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। সেই নজরদারি চালাতে গিয়ে বেশকিছু জায়গায় আধিকারিকরা জানতে পারেন, বালির সরবরাহ পর্যাপ্ত নেই। কোথাও কোথাও দামও বেশি। বিষয়টি জানার পর বালির জোগান স্বাভাবিক রাখতে বেশকিছু পদক্ষেপ করতে চলছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, বেআইনি বালি কারবারে রাশ টানায় স্বল্পমূল্যে বালি পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কোথাও বালির জোগান কম রয়েছে। প্রশাসনিক কর্তাদের অনেকের দাবি, এই সঙ্কট সর্বত্র নেই। যেসব জায়গায় রয়েছে, তা কীভাবে মেটানো যায়, তা ভাবা হচ্ছে। তবে এই জেলায় বেআইনি বালির ঘাট নিয়ে প্রশাসনের কড়া মনোভাবে বদল হবে না বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা। 
প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, বালির সঙ্কট বলে যা বলা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। কিছু জায়গায় সমস্যা রয়েছে। তবে উপভোক্তাদের বাড়ি বানাতে কোনও অসুবিধা হবে না। এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ