Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দু’বছর খারাপ সাবমার্সিবল, পানীয় জলের সমস্যা কুশিদার বাগমারায়

দু’বছর ধরে খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে সাবমার্সিবল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনকে বার বার জানালেও সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। অগভীর নলকূপের জল খেয়ে দিন কাটছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাগমারা গ্রামের শতাধিক পরিবারের।

দু’বছর খারাপ সাবমার্সিবল, পানীয় জলের সমস্যা কুশিদার বাগমারায়
  • ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: দু’বছর ধরে খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে সাবমার্সিবল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনকে বার বার জানালেও সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। অগভীর নলকূপের জল খেয়ে দিন কাটছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাগমারা গ্রামের শতাধিক পরিবারের।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২-’২৩ অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭২১ টাকা খরচ করে বাগমারা গ্রামে সাবমার্সিবল বসানো হয়েছিল। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছ’মাসের মধ্যে সেটি অকেজো হয়ে যায়। জন‌প্রতিনিধি ও ব্লক প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই বাসিন্দাদের এখন ভরসা অগভীর নলকূপের আয়রনযুক্ত জল। স্থানীয় বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন বলেন, গ্রামে তিন শতাধিকের বেশি পরিবার রয়েছে। তিনটি সাবমার্সিবল পাম্পের মধ্যে দু’টি বিকল হয়ে পড়ে। গ্রামে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের উদ্যোগে পাইপলাইন বসানো হলেও এখনও পর্যন্ত জল সরবরাহ শুরু হয়নি। বাড়ি বাড়ি বসানো হয়নি ট্যাপকলও। জলজীবন মিশনের দায়িত্বে থাকা ব্লকের কর্মীরা এসে আধার কার্ডের জেরক্স কপি সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছেন। কবে জল সরবরাহ শুরু হবে, তা কেউ জানেন না। কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আক্তারি খাতুন বলেন, পঞ্চায়েতের নিজস্ব ফান্ডে বেশি টাকা নেই। তবে, ব্লক প্রশাসনকে জলের সমস্যার বিষয়টি জানিয়েছি। জেলা পরিষদের কৃষি, সেচ ও সমবায় কর্মাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম বলেন, শীঘ্রই গ্রামে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের জল সরবরাহ শুরু হবে। দপ্তরের চাঁচল মহকুমার সহকারি ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গেও কথা হয়েছে।  সাব মার্সিবল বেহাল থাকায় জল নেই। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ