Bartaman Logo
৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কলকাতায় খারাপ সিংহভাগ সিসি ক্যামেরা! সিপিকে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতায় অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা খারাপ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত সারানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মহিলা ও শিশুর নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগ। বিস্তারিত পড়ুন।

কলকাতায় খারাপ সিংহভাগ সিসি ক্যামেরা! সিপিকে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
  • ৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নির্ভয়া ফান্ডের কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কলকাতা শহরে বসানো সিসি ক্যামেরার সিংহভাগই খারাপ! বুধবার নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকে অভিযোগ করছেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফলে দরকারের সময় প্রয়োজনীয় ফুটেজ পাওয়া যায় না। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দাকে দ্রুত এই ক্যামেরা সারানোর নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নের সভাঘরে বুধবার এক বৈঠকে কলকাতার সব থানার ওসি সহ পদস্থ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা শহরে মহিলা ও শিশুঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করতে বলেছেন। এক্ষেত্রে কোনোরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে কলকাতা পুলিশের সিপির মুখে র‌্যাফের বর্তমান কর্মী সংখ্যা জেনে কার্যত বিস্মিত হন মুখ্যমন্ত্রী। লালবাজারের এই কর্মী সংকট মেটাতে পুজোর আগেই ৪ হাজার পুলিশ নিয়োগের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশে ১২ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্য পুলিশে নিয়োগ হলেও দীর্ঘদিন কলকাতা পুলিশে এসআই এবং কনস্টেবল পদে নিয়োগ বন্ধ ছিল। ভাঙড় অধিগ্রহণের ফলে কলকাতা পুলিশের আয়তন এক ধাক্কায় বেড়ে ৫৩০ বর্গকিমিতে দাঁড়িয়েছে। ফলে থানায় কনস্টেবলের কাজ সিভিকদের করতে হচ্ছে। আর থানা গোয়েন্দা বিভাগে পর্যাপ্ত এসআই না থাকায় তদন্তের কাজ করতে হচ্ছে ইনস্পেক্টরদের দিয়ে। ফলে পুলিশ প্রশাসনের স্বাভাবিক কাজকর্ম ভেঙে পড়তে বসেছে।  
তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত পুলিশ অফিসারদের বলেছেন, তৃণমূল আমলের মতো বিরোধী দলের নেতাদের ফোন ধরার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। তাঁদের অভিযোগ শুনে আইন মেনে ব্যবস্থা  নিতে হবে। এছাড়াও এদিনের বৈঠকে বেআইনি নির্মাণ, অবৈধ পার্কিং নিয়েও কলকাতা পুলিশকে কড়া হতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে কলকাতা পুরসভা পুলিশের সাহায্য চাইলে সবরকম সহায়তা দিতে হবে। লালবাজারের সাইবার ক্রাইম থানাকে আরও উন্নত করতে বলা হয়েছে। প্রণামের সদস্যদের প্রতি থানাগুলিকে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ