সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: হাউস ফর অল প্রকল্পে গরিবদের বাড়ি তৈরির জন্য খড়্গপুর পুরসভা এক কোটি টাকা পেল। পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, পুজোর আগে এই টাকা হাতে পাওয়া গিয়েছে। উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়েও দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির জন্য কাজ করা যায়নি। দ্রুত কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। অফিস খুললেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি বলেন, আমরা রাজ্য পুর উন্নয়ন নিগমের কাছে এই প্রকল্পে দেড় কোটি টাকা চেয়েছিলাম। এক কোটি টাকা এসেছে। এই কাজ দ্রুত শেষ করে ইউসি পাঠিয়ে পরবর্তী পর্যায়ের টাকা চাওয়া হবে। তিনি বলেন, এই টাকার কাজ শেষ করতে পারলে পরবর্তী টাকাও দ্রুত আসবে। সেব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
এই প্রকল্পে বাড়ি তৈরি করতে খরচ হয় ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে উপভোক্তাকে দিতে হয় ২৫ হাজার টাকা। রাজ্য সরকার দু’লক্ষ ও কেন্দ্রীয় সরকার ১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা দেয়। উপভোক্তার নিজস্ব জায়গা থাকতে হবে। তার কোনও বাড়ি থাকা চলবে না।
পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, তিনটি পর্যায়ে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠানো হয়। চেয়ারপার্সন বলেন, কারও ভিত পর্যন্ত, কারও আবার লিনটন পর্যন্ত, কারও ছাদ পর্যন্ত কাজ হয়েছে। তাদেরকেই এই টাকা বিভিন্ন পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। এই কাজ শেষ হলে আমরা আবার পরবর্তী পর্যায়ের টাকা চেয়ে পুর উন্নয়ন নিগমকে চিঠি দেব।
প্রসঙ্গত লোকসভা ভোটের আগে এই প্রকল্পে খড়্গপুর পুরসভা প্রায় ৯ কোটি টাকা পেয়েছিল। কিন্তু ভোট এসে যাওয়ায় সেই টাকায় নতুন কাজ করা যায়নি। ভোট মিটে যাওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়। পুরসভা সূত্রে খবর, সময়মতো জিআই ট্যাগিং করতে না পারায় গত আগস্ট মাসে পুর উন্নয়ন নিগম খড়্গপুর পুরসভা থেকে প্রায় চার কোটি টাকা তুলে নেয়। সেই টাকা তারা অন্য পুরসভাকে দিয়ে দেয়।
চেয়ারপার্সন বলেন, সেই সময় আমাদের কাজ করতে দেরি হচ্ছিল। যে পুরসভা দ্রুত কাজ শেষ করতে পেরেছে, আমাদের কাছ থেকে টাকা তুলে নিয়ে তাদের দেওয়া হয়। আমরা কাজ শেষ করতে পারলে আমাদেরও আবার টাকা দেওয়া হবে। সেভাবেই আমরা এক কোটি টাকা পেয়েছি। ফের টাকা পাওয়া যাবে। ভাইস চেয়ারম্যান তৈমুর আলি খান বলেন, এর আগে অন্য পুরসভা থেকে টাকা তুলে আমাদের দেওয়া হয়েছিল। এই ভাবেই এই প্রকল্পের কাজ হয়। আমরাও দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করব।
পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, তিনটি পর্যায়ে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠানো হয়। চেয়ারপার্সন বলেন, কারও ভিত পর্যন্ত, কারও আবার লিনটন পর্যন্ত, কারও ছাদ পর্যন্ত কাজ হয়েছে। তাদেরকেই এই টাকা বিভিন্ন পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। এই কাজ শেষ হলে আমরা আবার পরবর্তী পর্যায়ের টাকা চেয়ে পুর উন্নয়ন নিগমকে চিঠি দেব।
প্রসঙ্গত লোকসভা ভোটের আগে এই প্রকল্পে খড়্গপুর পুরসভা প্রায় ৯ কোটি টাকা পেয়েছিল। কিন্তু ভোট এসে যাওয়ায় সেই টাকায় নতুন কাজ করা যায়নি। ভোট মিটে যাওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়। পুরসভা সূত্রে খবর, সময়মতো জিআই ট্যাগিং করতে না পারায় গত আগস্ট মাসে পুর উন্নয়ন নিগম খড়্গপুর পুরসভা থেকে প্রায় চার কোটি টাকা তুলে নেয়। সেই টাকা তারা অন্য পুরসভাকে দিয়ে দেয়।
চেয়ারপার্সন বলেন, সেই সময় আমাদের কাজ করতে দেরি হচ্ছিল। যে পুরসভা দ্রুত কাজ শেষ করতে পেরেছে, আমাদের কাছ থেকে টাকা তুলে নিয়ে তাদের দেওয়া হয়। আমরা কাজ শেষ করতে পারলে আমাদেরও আবার টাকা দেওয়া হবে। সেভাবেই আমরা এক কোটি টাকা পেয়েছি। ফের টাকা পাওয়া যাবে। ভাইস চেয়ারম্যান তৈমুর আলি খান বলেন, এর আগে অন্য পুরসভা থেকে টাকা তুলে আমাদের দেওয়া হয়েছিল। এই ভাবেই এই প্রকল্পের কাজ হয়। আমরাও দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করব।



