সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: চিতাবাঘ নিয়ে গিয়েছে বছর দু’য়েকের শিশুকে! সোমবার সকালে খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে যায় ফাঁসিদেওয়া ব্লকের গঙ্গারাম চা বাগানের অচানকবস্তিতে। এদিকে, খবর পেয়েই তল্লাশি অভিযানে নামে বনদপ্তর। পরে বাড়ির পাশে একটি ঝোপ থেকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার হয় শিশুটি। শিশুটির শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন না থাকায় ধন্দে পড়েছে বনদপ্তর। শিশুটিকে চিতাবাঘ নিয়ে গিয়েছে নাকি, সে একাই হামাগুড়ি দিয়ে চলে গিয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে বনদপ্তর। তবে শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে বনদপ্তর।
Advertisement
বনবিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ওই এলাকার বাসিন্দা আশি লাকড়ার বছর দু’য়েকের পুত্র সন্তান ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। সে মায়ের পাশেই ছিল। আশিবাবুর দাবি, দোকান থেকে ফিরে এসে দেখি ছেলে ঘরে নেই। এমনিতে এলাকায় চিতাবাঘের আতঙ্ক রয়েছে। এজন্য চিতাবাঘ ছেলেকে নিয়ে গিয়েছে বলে আমাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ওর খোঁজ মেলেনি। পরে খবর পেয়ে ঘোষপুকুর রেঞ্জের বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে চলে আসেন। বনকর্মীরাও স্থানীয়দের সঙ্গে খোঁজ শুরু করেন। এরপরই বাড়ি থেকে কয়েকশো মিটার দূরে একটি ঝোপে ছেলেকে দেখতে পান তাঁরা। এরপর সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
ঘোষপুকুরের রেঞ্জার প্রমিত লাল বলেন, শিশুটির শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। যদিও শিশুটিকে আমরা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। শিশুটির পা ফোলা রয়েছে। চিতাবাঘ আক্রমণ করেছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বনবিভাগের প্রাথমিক অনুমান, শিশুটি হামাগুড়ি দিয়ে সেখানে চলে যেতে পারে।
ঘোষপুকুরের রেঞ্জার প্রমিত লাল বলেন, শিশুটির শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। যদিও শিশুটিকে আমরা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। শিশুটির পা ফোলা রয়েছে। চিতাবাঘ আক্রমণ করেছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বনবিভাগের প্রাথমিক অনুমান, শিশুটি হামাগুড়ি দিয়ে সেখানে চলে যেতে পারে।



