সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: কুমারগ্রাম ব্লকের বারোবিশার পূর্ব চকচকা গ্রামে বাড়ি থেকে গোরু তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে একটি চিতাবাঘ। আর এই ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আতঙ্কিত এলাকার সাধারণ মানুষ। বুধবার সন্ধ্যা ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ভল্কা রেঞ্জের বনকর্মীরা। রাত হয়ে যাওয়ায় বনকর্মীরা তল্লাশি চালাতে পারেননি। বৃহস্পতিবার সকালে ফের এলাকায় এসে তল্লাশি চালায় বনদপ্তর।
Advertisement
পূর্ব চকচকার বাসিন্দা প্রেমানন্দ বর্মনের বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে একটি গোরু নিয়ে চলে যায় চিতাবাঘ। কিছুক্ষণ পর গোরুটিকে খুঁজে পাওয়া যায়। গোরুর শরীরের বিভিন্ন অংশে আঁচরের চিহ্ন মিলেছে। প্রেমানন্দ বর্মন বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় মুহূর্তের মধ্যেই গোয়াল ঘর থেকে একটি গোরু নিয়ে যায় চিতাবাঘ। এরপর মোবাইলের আলো জ্বেলে খুঁজতে বের করি। বনদপ্তরের লোকেরা আসেন। তাঁরা পায়ের ছাপ খতিয়ে দেখে সতর্ক থাকার কথা বলে যান।
এ খবর চাউর হতেই গোটা গ্রামের মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। বনদপ্তরের তরফে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিন ভল্কা রেঞ্জের পক্ষ থেকে মাইকে প্রচার করা হয়। এদিকে, চিতাবাঘ বের হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকারই কিছু লোক সোশ্যাল মিডিয়াতে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে। উত্তরপ্রদেশের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনটি শাবক সহ একটি বাঘিনী দাঁড়িয়ে রয়েছে। গুগল ঘেঁটে দেখা গেল, ভিডিওটি ২০২৪ সালে ৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ এলাকার।
পূর্ব চকচকার বাসিন্দা কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি জয়প্রকাশ বর্মন বলেন, এলাকায় এই ধরনের ঘটনার কথা শুনেছি। তবে এই নিয়ে গুজব না ছড়ানোর আবেদন রাখছি। বনদপ্তর বিষয়টি দেখছে। সবাই সতর্ক থাকুন। বনদপ্তরের ভল্কার রেঞ্জ অফিসার প্রভাতকুমার বর্মন বলেন, পায়ের ছাপ দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, এটি চিতাবাঘ। এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু বাঘের খোঁজ পাওয়া যায়নি। সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে মাইকে প্রচারও করা হয়েছে। কেউ গুজবে কান দেবেন না।
এ খবর চাউর হতেই গোটা গ্রামের মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। বনদপ্তরের তরফে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিন ভল্কা রেঞ্জের পক্ষ থেকে মাইকে প্রচার করা হয়। এদিকে, চিতাবাঘ বের হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকারই কিছু লোক সোশ্যাল মিডিয়াতে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে। উত্তরপ্রদেশের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনটি শাবক সহ একটি বাঘিনী দাঁড়িয়ে রয়েছে। গুগল ঘেঁটে দেখা গেল, ভিডিওটি ২০২৪ সালে ৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ এলাকার।
পূর্ব চকচকার বাসিন্দা কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি জয়প্রকাশ বর্মন বলেন, এলাকায় এই ধরনের ঘটনার কথা শুনেছি। তবে এই নিয়ে গুজব না ছড়ানোর আবেদন রাখছি। বনদপ্তর বিষয়টি দেখছে। সবাই সতর্ক থাকুন। বনদপ্তরের ভল্কার রেঞ্জ অফিসার প্রভাতকুমার বর্মন বলেন, পায়ের ছাপ দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, এটি চিতাবাঘ। এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু বাঘের খোঁজ পাওয়া যায়নি। সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে মাইকে প্রচারও করা হয়েছে। কেউ গুজবে কান দেবেন না।



