সংবাদদাতা, বহরমপুর: ছুতোরপাড়ার বুড়ো শিবের শোভাযাত্রার মধ্য দিয়েই বৃহস্পতিবার বেলডাঙার কার্তিক লড়াইয়ের সূচনা হল। এদিন সকালে ঢাকঢোল, কাঁসর, ডগর, তাসা, কীর্তনের দল সহ প্রচুর বাদ্যযন্ত্র সহযোগে মঙ্গল শোভাযাত্রা বেলডাঙা পরিক্রমা করে। পুরুষ, মহিলা মিলিয়ে দু’থেকে আড়াই হাজার মানুষ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিল। শোভাযাত্রা শেষে এদিন দুপুরে ছুতোরপাড়ায় প্রায় ১০ হাজার মানুষের অন্নকূটের ব্যবস্থা করা হয়। শনিবার কার্তিক সংক্রান্তির দিন হবে পুজো। তারপর দিন হবে জমজমাট কার্তিক লড়াই। তবে বৃহস্পতিবার থেকেই বেলডাঙাবাসী পুজো আর কার্তিক লড়াইয়ের উন্মাদনায় ভাসতে শুরু করে। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই বেলডাঙা শহর ভাসছে চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জায়। প্রতিমা ও আলোকসজ্জা দেখতে ইতিমধ্যেই শহরের বাইরে থেকে মানুষজন ভিড় করতে শুরু করেছেন।
Advertisement
স্থানীয়দের দাবি, ৫০০ বছরের বেশি প্রাচীন বুড়ো শিবের পুজোর সূচনা করে গোয়ালা সম্প্রদায়। কথিত আছে, বাথানে গোরু বাছুরের মড়ক লেগেছিল। কোনও অপদেবতার কোপেই শয়ে শয়ে গোরু বাছুর মারা যাচ্ছে বলে বাসিন্দারা ধারণা করেন। অপদেবতার কোপ থেকে গবাদি পশুদের বাঁচাতে বিশাল আকারের বুড়ো শিবের পুজো শুরু হয়। পরবর্তীতে এই পুজোর দায়িত্ব এসে পড়ে ছুতোরপাড়ার বাসিন্দাদের উপর। বাড়ে পুজোর আড়ম্বরও।
বিশাল আয়তনের বসে থাকা বুড়ো শিবের এবারের উচ্চতা ১৪ ফুট। পুজো কমিটির সদস্য প্রসেনজিৎ সাহা বলেন, আমাদের মন্দিরের উচ্চতা অনুপাতেই বুড়ো শিবের উচ্চতা হয়। উচ্চতা ১৪ ফুট হলেও শিবের আকৃতি বিশালাকার হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে মঙ্গলঘট স্থাপন করে মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। দুপুরে ১০ হাজার মানুষকে পাতা পেরে খাওয়ানো হয়। নিরামিষ মেনুতে ছিল সাদা ভাত, ডাল, পাঁচ তরকারি, চাটনি। পুজো কমিটির সম্পাদক মঙ্গল সেন বলেন, ঐতিহ্য মেনে প্রতি বছর এই দিনে মঙ্গল শোভাযাত্রা দিয়েই পুজোর সূচনা করা হয়। আর কার্তিক লড়াইয়ে সবার নজর থাকে বুজো শিবের উপর।
এদিন বুড়ো শিবের পুজোর সূচনা হলেও শহরের অন্যান্য পুজো কমিটিরাও পিছিয়ে নেই। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে চমক দিতে ব্যস্ত বাকিরাও। কার্তিক লড়াইয়ে বেলডাঙার আবেগ দুর্গাপুজোর উন্মাদনাকেও ছাড়িয়ে যায়। পুজোর দিন থেকে পুরসভা এলাকা সহ আশপাশের গ্রামগুলির প্রতিটি বাড়িতে আত্মীয়রা আসেন। সকলেই এই ক’টা দিন আনন্দে মাতেন।
বিশাল আয়তনের বসে থাকা বুড়ো শিবের এবারের উচ্চতা ১৪ ফুট। পুজো কমিটির সদস্য প্রসেনজিৎ সাহা বলেন, আমাদের মন্দিরের উচ্চতা অনুপাতেই বুড়ো শিবের উচ্চতা হয়। উচ্চতা ১৪ ফুট হলেও শিবের আকৃতি বিশালাকার হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে মঙ্গলঘট স্থাপন করে মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। দুপুরে ১০ হাজার মানুষকে পাতা পেরে খাওয়ানো হয়। নিরামিষ মেনুতে ছিল সাদা ভাত, ডাল, পাঁচ তরকারি, চাটনি। পুজো কমিটির সম্পাদক মঙ্গল সেন বলেন, ঐতিহ্য মেনে প্রতি বছর এই দিনে মঙ্গল শোভাযাত্রা দিয়েই পুজোর সূচনা করা হয়। আর কার্তিক লড়াইয়ে সবার নজর থাকে বুজো শিবের উপর।
এদিন বুড়ো শিবের পুজোর সূচনা হলেও শহরের অন্যান্য পুজো কমিটিরাও পিছিয়ে নেই। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে চমক দিতে ব্যস্ত বাকিরাও। কার্তিক লড়াইয়ে বেলডাঙার আবেগ দুর্গাপুজোর উন্মাদনাকেও ছাড়িয়ে যায়। পুজোর দিন থেকে পুরসভা এলাকা সহ আশপাশের গ্রামগুলির প্রতিটি বাড়িতে আত্মীয়রা আসেন। সকলেই এই ক’টা দিন আনন্দে মাতেন।



