সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: মাদক পাচারের কাজে ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে মহিলাদের। মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে তাদের এই কাজে নামানো হচ্ছে। ভিনজেলা এমনকী ভিনরাজ্য থেকে মাদক এনে তারা পৌঁছে দিচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। রায়গঞ্জে পরপর মাদক সহ মহিলা গ্রেপ্তার হওয়ায় চিন্তা বেড়েছে পুলিস প্রশাসনে। বুধবার রাতে রায়গঞ্জের শিলিগুড়ি মোড় থেকে গাঁজা সহ এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। মঙ্গলবার এনবিএসটিসির বাসে ব্রাউন সুগার পাচারের সময় পুরুষ সহ এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত দু’দিনে রায়গঞ্জে গাঁজা ও ব্রাউন সুগার পাচারের অভিযোগে দুই মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিস।
Advertisement
গাঁজা পাচারের অভিযোগে ধৃত মহিলার নাম অনিমা গোস্বামী। বাড়ি কোচবিহারের শ্যামাপ্রসাদপল্লি এলাকায়। ধৃতের কাছ থেকে দুটো ব্যাগে মোট ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। ধৃত মহিলার বাপের বাড়ি অসম। কোচবিহারে শ্বশুরবাড়ি। বুধবার ওই মহিলা কোচবিহার থেকে দুটো ব্যাগে গাঁজা ভর্তি করে প্রথমে শিলিগুড়ি আসে। সেখান থেকে বাস পরিবর্তন করে শিলিগুড়ি থেকে রায়গঞ্জে আসে। রায়গঞ্জ থেকে মালদহ যাওয়ার কথা ছিল ওই মহিলার। মালদহ যাওয়ার জন্য বেসরকারি বাসে উঠতে গেলেই প্রথমে তাকে আটক করে পুলিস। জেরার মুখে সে গাঁজা পাচারের কথা স্বীকার করে। ধৃত মহিলাকে রায়গঞ্জ জেলা আদালতে তুলে ছয় দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস। ধৃত মহিলার বাপের বাড়ি অসম হওয়ায় ভিনরাজ্যের মাদক কারবারির সঙ্গে তার যোগ রয়েছে কি না, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিসের চোখ এড়াতে ক্যারিয়াররা বড় রুট ভেঙে ভেঙে যাতায়াত করছে। পাচারে ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে মহিলাদের। যাতে সন্দেহ না হয়। প্রাক্তন এক পুলিস কর্তা মনে করেন, মাদক পাচারের ক্ষেত্রে মহিলাদের সন্দেহ কম হয়। সবজায়গায় সবসময় মহিলা পুলিসও থাকে না তল্লাশির জন্য। যার সুযোগ নেয় মাদক পাচারকারিরা। যদিও মাদক পাচার রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিস, দাবি রায়গঞ্জ পুলিস জেলার এসপি মহম্মদ সানা আক্তার। তিনি বলেন, দিনদিন মহিলাদের দিয়ে মাদক পাচারের প্রবণতা বাড়ছে। আমরা সজাগ রয়েছি।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিসের চোখ এড়াতে ক্যারিয়াররা বড় রুট ভেঙে ভেঙে যাতায়াত করছে। পাচারে ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে মহিলাদের। যাতে সন্দেহ না হয়। প্রাক্তন এক পুলিস কর্তা মনে করেন, মাদক পাচারের ক্ষেত্রে মহিলাদের সন্দেহ কম হয়। সবজায়গায় সবসময় মহিলা পুলিসও থাকে না তল্লাশির জন্য। যার সুযোগ নেয় মাদক পাচারকারিরা। যদিও মাদক পাচার রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিস, দাবি রায়গঞ্জ পুলিস জেলার এসপি মহম্মদ সানা আক্তার। তিনি বলেন, দিনদিন মহিলাদের দিয়ে মাদক পাচারের প্রবণতা বাড়ছে। আমরা সজাগ রয়েছি।



