Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাড়ি ও দোকানের বর্জ্য নিয়ে নাজেহাল পুরসভা, চালু হচ্ছে জরিমানা

বাড়ি ও দোকানের বর্জ্য নিয়ে নাজেহাল পুরসভা, চালু হচ্ছে জরিমানা
  • ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শহরে বাড়ি ও দোকানের বর্জ্য নিয়ে কার্যত নাজেহাল জলপাইগুড়ি পুরসভা। ফলে এবার যত্রতত্র পড়ে থাকা বর্জ্য সমস্যার সমাধানে জরিমানার পথে হাঁটছে পুর কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে বাড়ি ও দোকান থেকে বর্জ্য সংগ্রহে আগামী মাস থেকেই জলপাইগুড়িতে চালু হচ্ছে ফি আদায়। কোনও দোকানদার নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট বালতিতে বর্জ্য না রাখলে তাঁর ট্রেড লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ আটকে দেওয়া হবে। বুধবার শহরে মাইকিং করে এমনটাই জানিয়ে দেন খোদ ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। 
Advertisement
ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, বাড়ি কিংবা দোকান, প্রত্যেককেই পুরসভার দেওয়া নির্দিষ্ট বালতিতে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য ভাগ করে রাখতে হবে। পুরসভার কর্মীরা গিয়ে ওই বর্জ্য নিয়ে আসবেন। এজন্য বাড়ি ও সাধারণ দোকান থেকে বর্জ্য সংগ্রহে মাসে ৩০ টাকা করে ফি দিতে হবে পুরসভাকে। খাবারের দোকানকে এজন্য প্রতি মাসে দিতে হবে ৫০ টাকা। কেউ যদি পুরসভার বালতিতে বর্জ্য না দিয়ে বাড়ি কিংবা দোকানের সামনে তা ফেলে রাখেন, সেক্ষেত্রে মোটা টাকা জরিমানার পথে হাঁটবে পুরসভা। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আগামী মাস থেকেই এটা চালু হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে শহরবাসী ও দোকানদারদের সচেতন করতে এদিন জলপাইগুড়ি স্টেশন বাজার এলাকায় মাইকিংও করেন ভাইস চেয়ারম্যান। সঙ্গে ছিলেন পুরসভার আধিকারিকরা।
এদিন ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, শহর লাগোয়া বালাপাড়ায় আমাদের যে ডাম্পিং গ্রাউন্ড রয়েছে, সেখানে পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈবসার তৈরি হবে। অপচনশীল বর্জ্য পাঠিয়ে দেওয়া হবে নির্দিষ্ট জায়গায়। ফলে কোনও বাড়িতে কিংবা দোকানে পুরসভার দেওয়া নির্দিষ্ট বালতি নেব না, ওই বালতিতে বর্জ্য আলাদা করে রাখব না, এটা বলার আর কোনও জায়গা নেই। বর্তমানে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের ৫০-৬০ শতাংশ কাজ হচ্ছে। আমরা এটাকে একশো শতাংশ করতে চাইছি। বর্জ্য পৃথকীকরণ করে নিয়মিত নির্দিষ্ট বালতিতে রাখার উপর সেই দোকানদারের ট্রেড লাইসেন্স নির্ভর করছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ