সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: বাড়ি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে আবর্জনা সংগ্রহের জন্য এবার ‘পরিষেবা কর’ নেবে খড়্গপুর পুরসভা। তার জন্য দ্রুত পুরসভার বোর্ড মিটিং ডাকা হবে বলে পুরসভা সূত্রে খবর। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে বাড়ি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ শুরু করেছে পুরসভা। শহরে রাত্রিকালীন পরিষেবাও শুরু হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (সুডা) এরকমই নির্দেশ দিয়েছে। বাড়ি, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সহ যেসব জায়গা থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করা হবে, সেই সব জায়গা থেকে এই পরিষেবার জন্য টাকা নিতে বলা হয়েছে।
Advertisement
পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, সম্প্রতি সুডার ডিরেক্টর জলি চৌধুরী জেলায় এসে বৈঠক করে গিয়েছেন। সেই বৈঠকেই পুরসভাগুলিকে এবাবদ টাকা নিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, এব্যাপারে পুরসভার বোর্ড মিটিং ডেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দ্রুত এই মিটিং ডাকা হবে। কাউন্সিলারদের মতামত নিয়ে টাকা ধার্য করা হবে। তিনি বলেন, বাড়ির জন্য যে অর্থ ধার্য হবে, তা পুরকরের সঙ্গে যোগ করার কথা ভাবা হয়েছে।
প্রসঙ্গত এর আগে একবার এই পরিষেবা দেওয়ার জন্য পুরসভা টাকা ধার্য করেছিল। কিন্তু তা কার্যকরী হয়নি। পুরসভা সূত্রে খবর, ২০২৩ সালে এনিয়ে অনেক জলঘোলা হয়। প্রতিবাদে সোচ্চার হন কাউন্সিলাররা। তখন বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। ফের সুডার নির্দেশে তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এবার আর একা ঝুঁকি নিতে নারাজ চেয়ারপার্সন। তিনি বলেন, যা হবে পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত করেই হবে। খড়্গপুর পুরসভা অবশ্য পরিষেবার নামে অনেকদিন থেকে জলকর নেয়। পুরসভা সূত্রে খবর, যেসব বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ আছে, সেই সব বাড়ি থেকে মাসে ৩৫ টাকা করে নেওয়া হয়। এবার যোগ হবে আবর্জনা সাফাইয়ের জন্য পরিষেবা কর।
মেদিনীপুর পুরসভায় অবশ্য বোর্ড মিটিংয়ে বিষয়টি পাশ হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও তা ধার্য হয়নি। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, সুডা থেকে বাড়ি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সহ সব জায়গা থেকেই আবর্জনা সাফাই পরিষেবার জন্য টাকা নিতে বলেছে। আমাদের বোর্ড মিটিংয়ে তা পাশও হয়ে গিয়েছে। তবে আমরা এখনই বাড়ি থেকে টাকা নিচ্ছি না। এখন ছোট, বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে এই টাকা অর্থাৎ পরিষেবা কর নেওয়া হবে। পরে বাড়ি থেকে নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত এর আগে একবার এই পরিষেবা দেওয়ার জন্য পুরসভা টাকা ধার্য করেছিল। কিন্তু তা কার্যকরী হয়নি। পুরসভা সূত্রে খবর, ২০২৩ সালে এনিয়ে অনেক জলঘোলা হয়। প্রতিবাদে সোচ্চার হন কাউন্সিলাররা। তখন বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। ফের সুডার নির্দেশে তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এবার আর একা ঝুঁকি নিতে নারাজ চেয়ারপার্সন। তিনি বলেন, যা হবে পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত করেই হবে। খড়্গপুর পুরসভা অবশ্য পরিষেবার নামে অনেকদিন থেকে জলকর নেয়। পুরসভা সূত্রে খবর, যেসব বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ আছে, সেই সব বাড়ি থেকে মাসে ৩৫ টাকা করে নেওয়া হয়। এবার যোগ হবে আবর্জনা সাফাইয়ের জন্য পরিষেবা কর।
মেদিনীপুর পুরসভায় অবশ্য বোর্ড মিটিংয়ে বিষয়টি পাশ হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও তা ধার্য হয়নি। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, সুডা থেকে বাড়ি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সহ সব জায়গা থেকেই আবর্জনা সাফাই পরিষেবার জন্য টাকা নিতে বলেছে। আমাদের বোর্ড মিটিংয়ে তা পাশও হয়ে গিয়েছে। তবে আমরা এখনই বাড়ি থেকে টাকা নিচ্ছি না। এখন ছোট, বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে এই টাকা অর্থাৎ পরিষেবা কর নেওয়া হবে। পরে বাড়ি থেকে নেওয়া হবে।



