সংবাদদাতা, বহরমপুর: বসত ভিটে সংক্রান্ত পারিবারিক সমস্যা মেটাতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। অর্ধেক তৈরি হওয়া ঘরের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে নির্মাণ আটকে দেন মৃতের জেঠু। মঙ্গলবার সালিশি সভা ডেকেও জট কাটেনি। সালিশি সভায় জেঠুর হাতে পায়ে ধরে তাঁকে রাজি করাতে পারেননি ওই যুবক। মঙ্গলনার রাত ৮টা নাগাদ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। পেশায় মৃৎশিল্পী মৃত যুবকের নাম অনির্বাণ মণ্ডল(১৯)। বাড়ি বেলডাঙা থানার গোপিনাথপুর। বেলডাঙা থানার পুলিস জানিয়েছে, কোনও অভিযোগ হয়নি। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মণ্ডল পরিবারের পৈতৃক ১৪ শতক জায়গার মালিক পরিবারের তিন ভাই। কিন্তু বসত ভিটের দিক নির্দেশ করে বন্টননামা হয়নি।
অনির্বাণ মণ্ডল কারখানার জন্য বাবার অংশের উপর প্রতিমা তৈরির কারখানা তৈরির কাজ শুরু করেন। বেশ খানিকটা নির্মাণকাজ হয়ে যাওয়ার পরেই অনির্বাণ মণ্ডলের জেঠু বিফল মণ্ডল আইনের আশ্রয় নিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। পরিবার সূত্রেই জানা গিয়েছে, বিফলবাবু তাঁর নিজের অংশ মেয়েকে লিখে দিয়েছেন।
এদিকে ঢালাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নির্মাণ সামগ্রী নগদে কিনে বিপাকে পড়েন অনির্বাণ।
মঙ্গলবার সমস্যার সমাধানের জন্য গ্রামে সালিশি সভা ডাকা হয়েছিল। মৃতের বাবা বঙ্কিম মণ্ডল বলেন, গ্রাম্য সালিশি মানেনি আমার দাদা। আমার ছেলে জেঠুর হাতে পায়ে ধরে। তাতেও কাজ হয়নি। কারখানা তৈরির জন্য ছেলে তিন লক্ষ টাকার রড, সিমেন্ট, বালি, পাথর কিনেছিল। এখন কী হবে এই চিন্তাতেই ছেলে গলায় ফাঁস দেয়।
সালিশি সভার পর আর বাড়ি ঢোকেননি অনির্বাণ। রাত ৮টা নাগাদ গ্রামের এক বালক তাঁকে পুরাতন কারখানা ঘরে ফ্যানে ঝুলতে দেখে। সেই বাড়িতে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে বেলডাঙা থানার পুলিস দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। বঙ্কিমবাবুর দাবি, দাদা ছেলেকে ঘর তৈরির অনুমতি দিলে রোজগেরে একমাত্র ছেলেকে হারাতে হতো না।
অনির্বাণ মণ্ডল কারখানার জন্য বাবার অংশের উপর প্রতিমা তৈরির কারখানা তৈরির কাজ শুরু করেন। বেশ খানিকটা নির্মাণকাজ হয়ে যাওয়ার পরেই অনির্বাণ মণ্ডলের জেঠু বিফল মণ্ডল আইনের আশ্রয় নিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। পরিবার সূত্রেই জানা গিয়েছে, বিফলবাবু তাঁর নিজের অংশ মেয়েকে লিখে দিয়েছেন।
এদিকে ঢালাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নির্মাণ সামগ্রী নগদে কিনে বিপাকে পড়েন অনির্বাণ।
মঙ্গলবার সমস্যার সমাধানের জন্য গ্রামে সালিশি সভা ডাকা হয়েছিল। মৃতের বাবা বঙ্কিম মণ্ডল বলেন, গ্রাম্য সালিশি মানেনি আমার দাদা। আমার ছেলে জেঠুর হাতে পায়ে ধরে। তাতেও কাজ হয়নি। কারখানা তৈরির জন্য ছেলে তিন লক্ষ টাকার রড, সিমেন্ট, বালি, পাথর কিনেছিল। এখন কী হবে এই চিন্তাতেই ছেলে গলায় ফাঁস দেয়।
সালিশি সভার পর আর বাড়ি ঢোকেননি অনির্বাণ। রাত ৮টা নাগাদ গ্রামের এক বালক তাঁকে পুরাতন কারখানা ঘরে ফ্যানে ঝুলতে দেখে। সেই বাড়িতে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে বেলডাঙা থানার পুলিস দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। বঙ্কিমবাবুর দাবি, দাদা ছেলেকে ঘর তৈরির অনুমতি দিলে রোজগেরে একমাত্র ছেলেকে হারাতে হতো না।



