সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: শুধু ভোট এলে জনসংযোগ কর্মসূচি নেব, আর অন্য সময় চুপ থাকব তা হয় না। অন্য সময়েও এলাকার মানুষের সুবিধা অসুবিধার খোঁজ নিতে হবে। এই ভাবনা থেকেই নিজের বিধানসভা কালচিনি এলাকায় বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ শুরু করলেন আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব। খোঁজ নিচ্ছেন মানুষের সুবিধা অসুবিধার।
Advertisement
ইতিমধ্যেই বিধানসভার মালঙ্গি, সাঁতালি, মেন্দাবাড়ি, লতাবাড়ি, সেন্ট্রাল ডুয়ার্স সহ অন্যান্য এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সুবিধা অসুবিধার খোঁজ নিয়েছেন সভাধিপতি। জানার চেষ্টা করছেন কারা এখনও কেন কোন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাননি। কেউ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা না পেয়ে থাকলে কেন পাননি ডায়েরিতে তার নোটও নিচ্ছেন।
কালচিনি বিধানসভা এলাকাটি বন্যপ্রাণীপ্রবণ এলাকা। কোথাও বন্যপ্রাণীর হামলায় কেউ মারা গেলে সঙ্গে সঙ্গে মৃতের পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন। খোঁজ নিচ্ছেন মৃতের পরিবার সরকারি ক্ষতিপূরণ পেয়েছে কি না। সভাধিপতির এই বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ কর্মসূচি কালচিনিতে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে। জেলা পরিষদের সভাধিপতির এই কর্মসূচি নিয়ে দলও খুশি।
তৃণমূলের কালচিনি ব্লক সভাপতি অসীম লামা বলেন, দল বা মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ না দিলেও যে কেউ দলের ভালোর জন্য মানুষের সমস্যার খোঁজ নিতে পারে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। সভাধিপতির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব বলেন, শুধু ভোট এলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সমস্যার কথা শুনব আর অন্য সময় তা করব না, তা হয় না। অন্য সময়েও মানুষের বাড়ি যেতে হবে মানুষের সমস্যার কথা শুনতে। তাই মুখ্যমন্ত্রী বা দল না বললেও আমি নিজের উদ্যোগেই আমার বিধানসভা এলাকার মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সমস্যার কথা শুনছি।
শুধু নিজের বিধানসভা এলাকাই নয়। সময় পেলে জেলার অন্য বিধানসভা এলাকাতেও মানুষের সমস্যা শুনতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন পরিষদের সভাধিপতি।
কালচিনি বিধানসভা এলাকাটি বন্যপ্রাণীপ্রবণ এলাকা। কোথাও বন্যপ্রাণীর হামলায় কেউ মারা গেলে সঙ্গে সঙ্গে মৃতের পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন। খোঁজ নিচ্ছেন মৃতের পরিবার সরকারি ক্ষতিপূরণ পেয়েছে কি না। সভাধিপতির এই বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ কর্মসূচি কালচিনিতে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে। জেলা পরিষদের সভাধিপতির এই কর্মসূচি নিয়ে দলও খুশি।
তৃণমূলের কালচিনি ব্লক সভাপতি অসীম লামা বলেন, দল বা মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ না দিলেও যে কেউ দলের ভালোর জন্য মানুষের সমস্যার খোঁজ নিতে পারে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। সভাধিপতির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব বলেন, শুধু ভোট এলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সমস্যার কথা শুনব আর অন্য সময় তা করব না, তা হয় না। অন্য সময়েও মানুষের বাড়ি যেতে হবে মানুষের সমস্যার কথা শুনতে। তাই মুখ্যমন্ত্রী বা দল না বললেও আমি নিজের উদ্যোগেই আমার বিধানসভা এলাকার মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সমস্যার কথা শুনছি।
শুধু নিজের বিধানসভা এলাকাই নয়। সময় পেলে জেলার অন্য বিধানসভা এলাকাতেও মানুষের সমস্যা শুনতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন পরিষদের সভাধিপতি।



