নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দেওয়ার কাজে পূর্ব বর্ধমান দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ৮৭.৫৪ শতাংশ বাড়িতে জল পৌঁছে নদীয়া জেলা প্রথম স্থানে রয়েছে। পুরুলিয়া, মালদহ, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর দিনাজপুর এবং মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলি পিছনের সারিতে রয়েছে। এই জেলাগুলিকে কাজে জোর দেওয়ার নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। কোথাও জমি সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে তা দ্রুত সমাধান করার জন্য বলা হয়েছে।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ৯৫লক্ষ ৮১হাজার ৭৭০টি বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে গিয়েছে। রাজ্যে মোট এক কোটি ৭৫লক্ষ ৫৬ হাজার ৭৩২টি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানে ১১ লক্ষ ৯৩হাজার ৩৬৯টি বাড়িতে পানীয় জল সরবরাহ করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। তারমধ্যে আট লক্ষ পাঁচ হাজার ৩৫১টি বাড়িতে জল পৌঁছে গিয়েছে। জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় বলেন, কয়েকটি ব্লক কাজে পিছিয়ে রয়েছে। ওই ব্লকগুলিতে দ্রুত কাজ করার জন্য বলা হয়েছে। পানীয় জল সেচের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। তারপরও কেউ কেউ পাইপ লাগিয়ে চাষের জমিতে জল নিয়ে যাচ্ছিল। ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনেক পরিবার বড় রির্জাভার বসিয়ে জল মজুত করছে বলে অভিযোগ আসছে। সেই বাড়িগুলিও চিহ্নিত করা হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নদীয়ায় ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০ লক্ষ ৪৪হাজার ৭২৪টি বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। হুগলি জেলায় ছ’লক্ষ ৪৬হাজার ৪৮৮, উত্তর ২৪পরগনায় ন’লক্ষ ৪৭হাজার ৪৪৯টি বাড়িতে জল পৌঁছেছে। ঝাড়গ্রামে দু’লক্ষ ৫৫হাজার ৩৯১টি বাড়িতে জল দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। এক লক্ষ ৫২হাজার ২০২টি বাড়িতে জল পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়া জেলায় মাত্র ৩২.৪৫ শতাংশ বাড়িতে জল দেওয়া হয়েছে। মালদহে ৩৬.৫৪, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩৮.৩৯ শতাংশ বাড়িতে পাইপ লাইন পৌঁছ গিয়েছে। বাঁকুড়ায় সাত লক্ষ ৪২হাজার ৫০৮টি পানীয় জল দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। চার লক্ষ ৩০হাজার ৭৭৯টি বাড়িতে পানীয় জল দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক জায়গায় পাইপ বসানো হয়েছে। কিন্তু এখনও জল পৌঁছয়নি। কোথাও কোথাও নিম্নমানের পাইপ দেওয়া হয়েছে। তা কতদিন টিকবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পাইপলাইন বসাতে গিয়ে বহু রাস্তা খোঁড়া হয়েছে। সেই রাস্তাগুলি এখনও বেহাল হয়ে রয়েছে। বৃষ্টি হলে রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠবে। এক আধিকারিক বলেন, যেসব রাস্তা বেহাল রয়েছে সেগুলি সংস্কার করার জন্য বলা হয়েছে। কোথাও নিম্নমানের পাইপ দেওয়ার নির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে সেই ঠিকাদার সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নদীয়ায় ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০ লক্ষ ৪৪হাজার ৭২৪টি বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। হুগলি জেলায় ছ’লক্ষ ৪৬হাজার ৪৮৮, উত্তর ২৪পরগনায় ন’লক্ষ ৪৭হাজার ৪৪৯টি বাড়িতে জল পৌঁছেছে। ঝাড়গ্রামে দু’লক্ষ ৫৫হাজার ৩৯১টি বাড়িতে জল দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। এক লক্ষ ৫২হাজার ২০২টি বাড়িতে জল পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়া জেলায় মাত্র ৩২.৪৫ শতাংশ বাড়িতে জল দেওয়া হয়েছে। মালদহে ৩৬.৫৪, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩৮.৩৯ শতাংশ বাড়িতে পাইপ লাইন পৌঁছ গিয়েছে। বাঁকুড়ায় সাত লক্ষ ৪২হাজার ৫০৮টি পানীয় জল দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। চার লক্ষ ৩০হাজার ৭৭৯টি বাড়িতে পানীয় জল দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক জায়গায় পাইপ বসানো হয়েছে। কিন্তু এখনও জল পৌঁছয়নি। কোথাও কোথাও নিম্নমানের পাইপ দেওয়া হয়েছে। তা কতদিন টিকবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পাইপলাইন বসাতে গিয়ে বহু রাস্তা খোঁড়া হয়েছে। সেই রাস্তাগুলি এখনও বেহাল হয়ে রয়েছে। বৃষ্টি হলে রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠবে। এক আধিকারিক বলেন, যেসব রাস্তা বেহাল রয়েছে সেগুলি সংস্কার করার জন্য বলা হয়েছে। কোথাও নিম্নমানের পাইপ দেওয়ার নির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে সেই ঠিকাদার সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।



