সংবাদদাতা, পতিরাম: টিবি নিরাময়ে এবার বাড়ি বাড়ি যাবে স্বাস্থ্য দপ্তরের টিম। কোনও বাড়িতে কেউ আক্রান্ত রয়েছেন কি না খতিয়ে দেখা হবে। বাড়ি থেকেই নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠাবে স্বাস্থ্য দপ্তর। ১০০ দিন ধরে এই বিশেষ অভিযান চলবে বলে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। এনিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে বালুরঘাটে প্রশাসনিক ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা এবং মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস সহ অন্যরা।
Advertisement
জেলাশাসক বলেন, বাড়ি বাড়ি যাবে স্বাস্থ্য দপ্তরের টিম। দ্রুত পরীক্ষা করে রোগ নিরাময়ের জন্য জেলাজুড়ে ১০০ দিন ধরে এই অভিযান চলবে। জনগণের সাহায্য ছাড়া সাফল্য পাওয়া সম্ভব হবে না। তাই সকলের সাহায্য প্রার্থনা করছি। জেলায় টিবি আক্রান্তদের মৃত্যুর হার কমছে। পাশাপাশি দ্রুত পরীক্ষার মাধ্যমে সুস্থতাও বাড়ছে।
মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাসের কথায়, টিবিমুক্ত বাংলা গড়তে এই উদ্যোগ। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হবে। আশাকরি দ্রুত আমরা এর ফল দেখতে পাব।
জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, টিবি রোগ নির্ণয় এবং চিকিত্সার কাজ আগের তুলনায় অনেকটা উন্নত হয়েছে। ২০২৩ সালে ২৪২৩ জন টিবিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার মধ্যে ১৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে ২২৩০ জন আক্রান্তের মধ্যে মৃত্যু হয় ১১৬ জনের। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, টিবি হলে অনেকের ওষুধে কাজ হয় না। গত বছর এমন ৮১ জনকে পাওয়া গেলেও এবার তা কমে ২৯। মুলত গ্রামীণ এলাকাগুলিতে টেস্টে বেশি জোর দেওয়া হবে।
মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাসের কথায়, টিবিমুক্ত বাংলা গড়তে এই উদ্যোগ। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হবে। আশাকরি দ্রুত আমরা এর ফল দেখতে পাব।
জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, টিবি রোগ নির্ণয় এবং চিকিত্সার কাজ আগের তুলনায় অনেকটা উন্নত হয়েছে। ২০২৩ সালে ২৪২৩ জন টিবিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার মধ্যে ১৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে ২২৩০ জন আক্রান্তের মধ্যে মৃত্যু হয় ১১৬ জনের। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, টিবি হলে অনেকের ওষুধে কাজ হয় না। গত বছর এমন ৮১ জনকে পাওয়া গেলেও এবার তা কমে ২৯। মুলত গ্রামীণ এলাকাগুলিতে টেস্টে বেশি জোর দেওয়া হবে।



