সংবাদদাতা, তেহট্ট: প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ পাড়ায় পাড়ায় আবর্জনা সংগ্রহ। ঢাকঢোল পিটিয়ে আবর্জনা সংগ্রহের জন্য গাড়ি করা হলেও তা পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। ফলে আবার যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা জমা হচ্ছে তেহট্ট শহরে। নোংরা আবর্জনা রাস্তার পাশে জমা হওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এলাকায়। কবে আবার এই আবর্জনা সংগ্রহের কাজ শুরু হবে সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
Advertisement
স্থানীয় ও ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে তেহট্ট–১ ব্লকে চারটি আবর্জনা সংগ্রহের গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছিল পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে আবর্জনা সংগ্রহ করার জন্য। এতে তেহট্ট শহর আবর্জনা মুক্ত ও পরিষ্কার পরিছন্ন হবে। সেই আবর্জনা ফেলার জন্য তেহট্টের বয়ারবান্ধা এলাকায় জায়গা করা হয়েছিল। অভিযোগ, কয়েক মাস পর থেকে সেই গাড়িগুলোকে আর দেখা যাচ্ছে না।
তেহট্ট শহরে আছে স্কুল কলেজ, বিভিন্ন অফিস, আদালত। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে আসেন তাঁদের কাজে। তেহট্ট পঞ্চায়েত এলাকায় সপ্তাহের প্রত্যেকদিন বহু মানুষের ভিড় হচ্ছে। তেমন এটা জনবহুল এলাকাও বটে। যেখানে একের পর এক পাড়ার অবস্থান। ফলে আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় রাস্তাঘাট, পাড়ার বিভিন্ন জায়গা নোংরা হয়ে আবর্জনা জমছে। খোলা জায়গায় অনেকেই আবর্জনা ফেলছেন। দুর্গন্ধের পাশাপাশি জীবাণু ছড়ানোর সমস্যাও রয়েছে। এলাকাবাসীরা আরও জানিয়েছেন, ওই গাড়ি না আসায় রাস্তার ধার ও ফাঁকা মাঠ আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে।
তেহট্টের গৃহবধূ সুপর্ণা বিশ্বাস বলেন, আবর্জনা সংগ্রহের গাড়ি আর আসছে না। ফলে বাড়ির পাশে ফাঁকা জায়গায় নোংরা ফেলছি। অনেকে রাস্তার পাশে জমা করছে আবর্জনা। আবর্জনা নেওয়ার জন্য যদি আমাদের মাসে কিছু টাকা দিতে হয় তাও দেওয়া যাবে, তবু এলাকা তো পরিষ্কার থাকবে। তেহট্ট-১ বিডিও সঞ্জীব সেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের চিন্তা ভাবনা হচ্ছে।
তেহট্ট শহরে আছে স্কুল কলেজ, বিভিন্ন অফিস, আদালত। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে আসেন তাঁদের কাজে। তেহট্ট পঞ্চায়েত এলাকায় সপ্তাহের প্রত্যেকদিন বহু মানুষের ভিড় হচ্ছে। তেমন এটা জনবহুল এলাকাও বটে। যেখানে একের পর এক পাড়ার অবস্থান। ফলে আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় রাস্তাঘাট, পাড়ার বিভিন্ন জায়গা নোংরা হয়ে আবর্জনা জমছে। খোলা জায়গায় অনেকেই আবর্জনা ফেলছেন। দুর্গন্ধের পাশাপাশি জীবাণু ছড়ানোর সমস্যাও রয়েছে। এলাকাবাসীরা আরও জানিয়েছেন, ওই গাড়ি না আসায় রাস্তার ধার ও ফাঁকা মাঠ আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে।
তেহট্টের গৃহবধূ সুপর্ণা বিশ্বাস বলেন, আবর্জনা সংগ্রহের গাড়ি আর আসছে না। ফলে বাড়ির পাশে ফাঁকা জায়গায় নোংরা ফেলছি। অনেকে রাস্তার পাশে জমা করছে আবর্জনা। আবর্জনা নেওয়ার জন্য যদি আমাদের মাসে কিছু টাকা দিতে হয় তাও দেওয়া যাবে, তবু এলাকা তো পরিষ্কার থাকবে। তেহট্ট-১ বিডিও সঞ্জীব সেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের চিন্তা ভাবনা হচ্ছে।



