নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ৫৬তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে একযোগে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবার উপর জিএসটির হার কমানো হয়েছে। তার জেরে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি হতে বাধ্য। এদিকে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া তাদের
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ৫৬তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে একযোগে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবার উপর জিএসটির হার কমানো হয়েছে। তার জেরে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি হতে বাধ্য। এদিকে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া তাদের
একটি রেপোর্টে জানিয়েছে, কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তে দেশের জিএসটির গড় হার কমে দাঁড়াবে ৯.৫ শতাংশ। এর আগে সেই হার ছিল ১১.৬ শতাংশ। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের নিজস্ব হিসেব, জিএসটি হ্রাসের কারণে মোট রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে ৯৩ হাজার কোটি টাকার। এসবিআই মনে করে, সেই সার্বিক আর্থিক ক্ষতির অঙ্ক আরও একটু বাড়তে পারে। তা বেড়ে হতে পারে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের নিরিখে এই হিসেব পেশ করেছে দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক।
২০১৭ সালে যখন জিএসটি ব্যবস্থা দেশজুড়ে চালু হয়, তখন ৫ থেকে ২৮ শতাংশ পর্যন্ত জিএসটি হরেক ধাপ ছিল। সঙ্গে ছিল সেস। সেইসময় জিএসটির গড় হার ছিল ১৪.৪ শতাংশ। এরপর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জিএসটির হারে বড় রকমের পরিবর্তন আনা হয়। করের বোঝা কমানো হয় বেশ কিছু পণ্য ও পরিষেবায়। গড় জিএসটির হার দাঁড়ায় ১১.৬ শতাংশ। এরপর কিছু কিছু পণ্যের করের পরিবর্তন করা হলেও, তাতে সার্বিকভাবে বড় কোনও প্রভাব পড়েনি। তবে সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে যা কমে ৯.৫ শতাংশ হতে পারে বলে মনে করছে এসবিআই। জিএসটি কাউন্সিলের দাবি, তাদের মোট রাজস্ব ক্ষতি ৯৩ হাজার কোটি টাকা হলেও, ৪৫ হাজার কোটি টাকা আবারও ফিরে আসবে বেশি অঙ্কের বিক্রিবাটা থেকে। কারণ, জিএসটির ভার কমলে দেশজুড়ে বিক্রিবাটা বেশি হবে। তার ফলে জিএসটিও বাড়বে। এসবিআই মনে করছে, মোট জিএসটি ক্ষতির অঙ্ক দাঁড়াবে ১ লক্ষ ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি। তবে প্রায় ৩ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ব্যবসা বাড়াবে কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্ত। তার জেরে নিট রাজস্ব ক্ষতি দাঁড়াতে পারে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকার।