সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: নিউরো মেডিসিনের আউটডোর বন্ধ থাকলে ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা সঙ্কটজনক রোগীরা প্রয়োজনমতো স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পাচ্ছেন না। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অব্যবস্থার এই অভিযোগে বিস্মিত চিকিৎসকদের একাংশ। রোগীর পরিবারও ক্ষুব্ধ।
Advertisement
মঙ্গলবার মেখলিগঞ্জের হামিদার রহমান নামে ৬৭বছরের এক রোগী সঙ্কটজনক অবস্থায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর স্ট্রোক হয়েছে। মেল মেডিসিন-১ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর চিকিৎসা চলছে। অবস্থা সঙ্কটজনক। মঙ্গলবার রাতেই তার এমআরআই হয়। এমআরআইয়ের প্লেট সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হলেও রিপোর্ট তিন-চার দিনের আগে পাওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। হামিদার রহমানের ছেলে আতাউর রহমান বুধবার বলেন, মেডিসিন ইন্ডোর ওয়ার্ডে চিকিৎসকরা এমআরআই রিপোর্ট চাইছেন। এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কিছু নেই তা চিকিৎসকদের জানাই। তারপর ইন্ডোর রেফারেল কার্ড ও একটি চিঠি মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসকরা আমাকে দিয়ে নিউরো মেডিসিনের আউটডোরে গিয়ে বাবার বিভিন্ন রিপোর্ট দেখিয়ে পরামর্শ লিখে আনতে বলেন। সেইমতো সুপার স্পেশালিটি ব্লকে গিয়ে জানতে পারি, নিউরো মেডিসিনের আউটডোর রোজ খোলা থাকে না। এদিন নিউরো মেডিসিন আউটডোর বন্ধ। আবার শুক্রবার এই আউটডোর খোলা থাকবে। তার আগে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পাওয়া যাবে না।
এই অভিযোগে প্রশ্ন উঠেছে, স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শের জন্য হামিদার রহমানকে কেন ৪৮ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে? অথচ মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসকরা জরুরী ভিত্তিতে এই পরামর্শ চাইছেন। অর্থাৎ ৪৮ ঘণ্টা প্রয়োজনীয় নিউরো চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত থাকতে হবে মেখলিগঞ্জের এই বৃদ্ধকে।
রোগীর পরিবারকে কেন আউটডোরে গিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে? এ প্রশ্নও উঠেছে। ওয়ার্ডে ভর্তি কোনও রোগীর চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন সেই চিকিৎসককে কলবুক দেওয়াই নিয়ম বলে জানান স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। তাই এক্ষেত্রে রোগীর পরিবারের লোককে ইন্ডোর রেফারেল কার্ড দিয়ে কেন নিউরো আউটডোরে পাঠানো হল তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। হাসপাতালে অ্যাডিশনাল সুপার ডাঃ নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন এমন হল, জানি না। যদি নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার হয় তাহলে মেডিসিন ওয়ার্ড থেকে নিউরো মেডিসিন বিভাগে সরাসরি যোগাযোগ করার কথা। তা কেন করা হয়নি, খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
এই অভিযোগে প্রশ্ন উঠেছে, স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শের জন্য হামিদার রহমানকে কেন ৪৮ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে? অথচ মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসকরা জরুরী ভিত্তিতে এই পরামর্শ চাইছেন। অর্থাৎ ৪৮ ঘণ্টা প্রয়োজনীয় নিউরো চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত থাকতে হবে মেখলিগঞ্জের এই বৃদ্ধকে।
রোগীর পরিবারকে কেন আউটডোরে গিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে? এ প্রশ্নও উঠেছে। ওয়ার্ডে ভর্তি কোনও রোগীর চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন সেই চিকিৎসককে কলবুক দেওয়াই নিয়ম বলে জানান স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। তাই এক্ষেত্রে রোগীর পরিবারের লোককে ইন্ডোর রেফারেল কার্ড দিয়ে কেন নিউরো আউটডোরে পাঠানো হল তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। হাসপাতালে অ্যাডিশনাল সুপার ডাঃ নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন এমন হল, জানি না। যদি নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার হয় তাহলে মেডিসিন ওয়ার্ড থেকে নিউরো মেডিসিন বিভাগে সরাসরি যোগাযোগ করার কথা। তা কেন করা হয়নি, খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।



