সংবাদদাতা, ডোমকল: হাসপাতালের আউটডোর বা বহির্বিভাগে ঢুকল নিকাশির নোংরা জল। দুর্গন্ধ যুক্ত সেই জল ঢুকে পড়ায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেন রোগী থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা। দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে রীতিমতো নাকে-মুখে কাপড় বেঁধে ডাক্তার দেখালেন রোগীরা। সোমবার ওই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় ডোমকল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের বহির্বিভাগে।
Advertisement
ডোমকল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের পুরনো ভবনের সামনেই বহির্বিভাগটি অবস্থিত। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে বহির্বিভাগে বিভিন্ন বিভাগের একাধিক চিকিৎসক বসেন। কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করে রোগীরা সেখানে পরিষেবা পান। এদিনও তাই হয়েছিল, কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে বহির্বিভাগে ঢুকতেই রোগীরা দেখেন ভেতরে একটি খোলা জায়গায় জল জমে আছে। ওই জল থেকে ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। একদিকে নোংরা জল, অন্যদিকে চিকিৎসক দেখানোর জন্য টিকিটও কেটেছেন তাঁরা। বাধ্য হয়ে ওই নোংরা জলের সামনেই চিকিৎসক দেখানোর জন্য লাইন দিতে শুরু করেন তাঁরা। দুর্গন্ধে থেকে বাঁচতে সেই সময়ে রীতিমতো নাকে মুখে কাপড় বেঁধে লাইনে অপেক্ষা করতে থাকেন। অনেকেই সেই সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভিডিও আপলোড করেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বাদশা হোসেন নামের এক রোগী বলেন, ওই জল শৌচাগারের। তার দুর্গন্ধে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। আমরা রীতিমতো নাকে মুখে রুমাল বেঁধে চিকিৎসক দেখিয়েছি।
অপর এক রোগী বলেন, নোংরা জলের সামনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসক দেখাতে গিয়ে দমবন্ধ হয়ে আসছিল। নাকে মুখে রুমাল বেঁধে কোনওক্রমে চিকিৎসক দেখিয়েছি। অথচ ওই জল সরানোর জন্য কোনও ব্যবস্থা নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বহির্বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, জমা জলের কারণে সেখানে থেকে রোগী দেখতে সমস্যা হচ্ছিল।
এবিষয়ে হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক সৌরভ শীল বলেন, পাইপ আটকে ওই জল ওভারফ্লো হয়েছিল। যে এজেন্সি দেখভাল করে, তাদের আমরা সঙ্গে সঙ্গে জানিয়েছি। পরে অবশ্য তিনি আবার বলেন, ওই জায়গায় জল বেরনোর আউটলেট নেই। সেই কারণে ওখানে জল ঢুকে যায়। আমরা বিভিন্ন জায়গায় চিঠি লিখে ওই সমস্যার কথা জানিয়েছি।
বাদশা হোসেন নামের এক রোগী বলেন, ওই জল শৌচাগারের। তার দুর্গন্ধে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। আমরা রীতিমতো নাকে মুখে রুমাল বেঁধে চিকিৎসক দেখিয়েছি।
অপর এক রোগী বলেন, নোংরা জলের সামনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসক দেখাতে গিয়ে দমবন্ধ হয়ে আসছিল। নাকে মুখে রুমাল বেঁধে কোনওক্রমে চিকিৎসক দেখিয়েছি। অথচ ওই জল সরানোর জন্য কোনও ব্যবস্থা নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বহির্বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, জমা জলের কারণে সেখানে থেকে রোগী দেখতে সমস্যা হচ্ছিল।
এবিষয়ে হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক সৌরভ শীল বলেন, পাইপ আটকে ওই জল ওভারফ্লো হয়েছিল। যে এজেন্সি দেখভাল করে, তাদের আমরা সঙ্গে সঙ্গে জানিয়েছি। পরে অবশ্য তিনি আবার বলেন, ওই জায়গায় জল বেরনোর আউটলেট নেই। সেই কারণে ওখানে জল ঢুকে যায়। আমরা বিভিন্ন জায়গায় চিঠি লিখে ওই সমস্যার কথা জানিয়েছি।



