সংবাদদাতা, মানকর: আউশগ্রাম-২ ব্লকের এড়াল অঞ্চলের সরগ্রামের বাসিন্দাদের অনেকে মোড়া তৈরি করেন। এই শিল্পের উপর নির্ভর করে জীবন ধারণ করছেন। গ্রামের ডোমপাড়ায় সারাদিন তৈরি হচ্ছে মোড়া। বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন ডিজাইনের ও উচ্চতার মোড়া তৈরি করে চলেছেন শিল্পীরা। জেলা ও রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে ভিনদেশেও পাড়ি দিচ্ছে মোড়া।
Advertisement
শিল্পী সৌরভ বিশ্বাস, মিনতি ঘোড়ুইরা বলেন, মোড়া তৈরির মূল উপাদান বাঁশ। তবে বাঁশ এনেই সঙ্গে সঙ্গে সেটিকে কাজে লাগানো হয় না। রাসায়নিক দ্রব্যের মধ্যে ফেলে রাখা হয় যাতে সেটিতে ঘুন না ধরে। একটি মোড়া তৈরিতে সময় লেগে যায় প্রায় দেড় দিন। কীভাবে তৈরি হয় মোড়া? শিল্পীরা জানান, বাঁশকে কেটে ছোট ছোট সরু কাঠিতে পরিণত করা হয়। তারপর সেগুলিকে রং করা হয়। বাঁশের তৈরি বেড়ের সঙ্গে সেগুলি তালগাছের অংশ দিয়ে বাঁধা হয়। তবে কাঠি সম্পূর্ণ শুকনো না হলে তা ব্যবহার করা হয় না। সামান্যতম ভিজে থাকলে কাঠিতে ফাঙ্গাস তৈরি হয়ে যায়। মোড়া টেকসই হয় না। মোড়া তৈরিতে তাল গাছের একটি উপকরণ ব্যবহার করা হয়। বর্ষাকালে তালগাছে ওঠা খুব বিপদজ্জনক হওয়ায় সেইসময় মোড়া তৈরি করতে সমস্যা হয়।
সাধারণত ১৪ ইঞ্চি, ১৮ ইঞ্চি মোড়া তৈরি হয়। ৯ ইঞ্চি সবথেকে ছোট। তবে অনেক সময় চাহিদা অনুযায়ী উচ্চতা নির্ভর করে। দেখা গেল বেশ কয়েকটি মোড়াকে আরামকেদারার মতো ডিজাইন করা হয়েছে। এই উচ্চতার উপরেই দাম নির্ধারিত হয়। বড় মোড়ার দাম ৫০০-৬০০টাকা। উচ্চতা অনুসারে ১০০ টাকার ব্যবধান থাকে। শিল্পীদের আক্ষেপ, যে অনুপাতে মোড়া তৈরিতে খরচ বেড়েছে তাতে লাভ খুবই কম থাকে। এলাকার শিল্পী নীতীশ ঘোড়ুইয়ের মোড়া ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স বিভিন্ন দেশেও যাচ্ছে। মোড়ার সঙ্গে অনেকে কুলোও তৈরি করেন। সাধারণ কুলোর দাম ১০০টাকা। তবে ডিজাইনের তারতম্যে দামের পরিবর্তন হয়। সাধারণত অনেকে সেগুলি বিভিন্ন গ্রামে ফেরি করেন। অনেকে আবার বর্ধমান, দুর্গাপুরের বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যান। একটি মোড়া বিক্রি করলে ৫০-৬০টাকা লাভ হয়। শিল্পীরা বলেন, করোনার পর মোড়া বিক্রি কমে গিয়েছিল। তার থেকে কিছুটা অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তবে আমাদের পুঁজি কম। এই শিল্পের উপর নির্ভর করেই জীবনধারণ করতে হয়। সরকারি সাহায্য পেলে শিল্পে জোয়ার আসবে।-নিজস্ব চিত্র
সাধারণত ১৪ ইঞ্চি, ১৮ ইঞ্চি মোড়া তৈরি হয়। ৯ ইঞ্চি সবথেকে ছোট। তবে অনেক সময় চাহিদা অনুযায়ী উচ্চতা নির্ভর করে। দেখা গেল বেশ কয়েকটি মোড়াকে আরামকেদারার মতো ডিজাইন করা হয়েছে। এই উচ্চতার উপরেই দাম নির্ধারিত হয়। বড় মোড়ার দাম ৫০০-৬০০টাকা। উচ্চতা অনুসারে ১০০ টাকার ব্যবধান থাকে। শিল্পীদের আক্ষেপ, যে অনুপাতে মোড়া তৈরিতে খরচ বেড়েছে তাতে লাভ খুবই কম থাকে। এলাকার শিল্পী নীতীশ ঘোড়ুইয়ের মোড়া ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স বিভিন্ন দেশেও যাচ্ছে। মোড়ার সঙ্গে অনেকে কুলোও তৈরি করেন। সাধারণ কুলোর দাম ১০০টাকা। তবে ডিজাইনের তারতম্যে দামের পরিবর্তন হয়। সাধারণত অনেকে সেগুলি বিভিন্ন গ্রামে ফেরি করেন। অনেকে আবার বর্ধমান, দুর্গাপুরের বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যান। একটি মোড়া বিক্রি করলে ৫০-৬০টাকা লাভ হয়। শিল্পীরা বলেন, করোনার পর মোড়া বিক্রি কমে গিয়েছিল। তার থেকে কিছুটা অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তবে আমাদের পুঁজি কম। এই শিল্পের উপর নির্ভর করেই জীবনধারণ করতে হয়। সরকারি সাহায্য পেলে শিল্পে জোয়ার আসবে।-নিজস্ব চিত্র



