সংবাদদাতা, কাটোয়া: বোরো চাষের মরশুমে জমিতে বেশি জলের প্রয়োজন। ক্যানেলের জল না পাওয়ায় সাবমার্সিবলই ভরসা চাষিদের। আউশগ্রামের শিবদা মৌজাতে একই রাতে ১৮টি সাবমার্সিবলের যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনার কোনও কিনারা করতে পারেনি পুলিস। চাষের কথা মাথায় রেখে চুরি যাওয়া সাবমার্সিবলের যন্ত্রাংশ কিনে সারাতে হয়েছে। সেকারণে চাষিরা বাধ্য হয়ে রাত জেগে সাবমার্সিবল পাহারা দিচ্ছেন। পালা করে মাঠে গিয়ে রাত জাগতে হচ্ছে।
Advertisement
গত ২৭ফেব্রুয়ারি রাতে শিবদা গ্রামে ১৮টি সাবমার্সিবলের যন্ত্রাংশ চুরি হয়। পরেরদিন সকালে মাঠে গিয়ে চুরি হয়েছে বলে জানতে পারেন চাষিরা। বেশিরভাগ সাবমার্সিবলের ঘরের সার্টারের তালা ভাঙা ছিল। কেবল চুরি করে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, গুসকরা-২ পঞ্চায়েতের শিবদা মিলনী সমবায়ের মোট ২৫টি সাবমার্সিবল রয়েছে। তারমধ্যে ১৮টির যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। সাবমার্সিবলগুলি ২০০০সালে বসানো হয়েছিল। চাষিরা ফের নিজেদের উদ্যোগে দ্বিগুণ খরচ করে সারিয়েছেন। কারণ এখন মাঠে কয়েক হাজার বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ হচ্ছে। জমিতে জলের প্রয়োজন। চাষিদের বক্তব্য, গ্রাম থেকে ডিভিসির ক্যানেল অনেকটা দূরে রয়েছে। তাই ডিভিসির জল এবার পাচ্ছেন না চাষিরা। একমাত্র সাবমার্সিবলের জলই ভরসা তাঁদের। ফের চুরি আটকাতে রাত জেগে চাষিদেরই পাহারা দিতে হচ্ছে।
শিবদা গ্রামের চাষি উত্তম পাত্র বলেন, আমি আট বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। সাবমার্সিবল ছাড়া আমাদের জলের বিকল্প উৎস নেই। তাই রাত জেগে আমরা পাহারা দিচ্ছি। কারণ জমিতে জলের দরকার হলে সমস্যা বাড়বে। আর এক চাষি উমাচরণ সরকার বলেন, জমিতে জল না পেলে ধানের চারা শুকিয়ে যাবে। অনেক টাকা লোকসান হয়ে যাবে। পুলিস এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কেউ ধরা পড়েনি। তাই আমাদেরই রাতে চারজন করে পাহারা দিতে হচ্ছে।
ওই সমবায়ের ম্যানেজার বিপত্তারণ দেওয়াসি বলেন, ১৮টি সাবমার্সিবলের যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। এখন পর্যাপ্ত জল না পেলে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই চাষিদের পাহারা দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, চুরির ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
শিবদা গ্রামের চাষি উত্তম পাত্র বলেন, আমি আট বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। সাবমার্সিবল ছাড়া আমাদের জলের বিকল্প উৎস নেই। তাই রাত জেগে আমরা পাহারা দিচ্ছি। কারণ জমিতে জলের দরকার হলে সমস্যা বাড়বে। আর এক চাষি উমাচরণ সরকার বলেন, জমিতে জল না পেলে ধানের চারা শুকিয়ে যাবে। অনেক টাকা লোকসান হয়ে যাবে। পুলিস এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কেউ ধরা পড়েনি। তাই আমাদেরই রাতে চারজন করে পাহারা দিতে হচ্ছে।
ওই সমবায়ের ম্যানেজার বিপত্তারণ দেওয়াসি বলেন, ১৮টি সাবমার্সিবলের যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। এখন পর্যাপ্ত জল না পেলে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই চাষিদের পাহারা দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, চুরির ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



