সংবাদদাতা, কাটোয়া: আউশগ্রামের মালিয়াড়া গ্রামে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে দেড় বছর ধরে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। শিশুদের খাবার রান্নার জন্য পাশের বাড়ি থেকে বালতিতে জল বয়ে আনতে হয়। কেন্দ্রটির দরজা-জানলাও ভেঙে গিয়েছে। প্রশাসনের কাছে বারবার আবেদন করেও লাভ হয়নি। এলাকার বাসিন্দারা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জলসঙ্কট মেটানো ও ভবনের সংস্কারের দাবি তুলেছেন। রামনগর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জিয়াউল হক বলেন, ওই কেন্দ্রে পিএইচই’র পাইপলাইনের মাধ্যমে জলের সংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।
Advertisement
আউশগ্রাম-২ ব্লকের রামনগর পঞ্চায়েতের মালিয়াড়ায় তিনটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে গ্রামের পূর্বপাড়ায় ২৪৭ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের টাকায় তৈরি হয়েছে। সেখানে একজন সহায়িকা ও একজন কর্মী রয়েছেন। ওই কেন্দ্রে ৩৮জন শিশু সহ প্রসূতিদের নিয়ে রোজ প্রায় ৪০জনের রান্না হয়। সেখানকার টিউবওয়েল দেড় বছর আগে খারাপ হয়ে যায়। তারপর থেকেই পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দেয়। এখন পড়াশোনা করতে আসা শিশুদের পিপাসা পেলেও তারা জল খেতে পারে না। রান্নার জল পাশের এক বাড়ি থেকে নিয়ে আসতে হয়। কেন্দ্রের দু’টি দরজা, ভিতরের রান্নাঘরের দরজা, জানলা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। শৌচাগার বেহাল। সংস্কারের বালাই নেই। সেখানকার সহায়িকা সুমিত্রা হাঁসদা বলেন, সমস্যা মেটানোর জন্য আমরা প্রশাসনের কাছে সাত-আটবার আবেদন জানিয়েছি। তবু সুরাহা হয়নি।
আউশগ্রাম-২ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আনন্দময়ী ঘোষ বলেন, শিশুদের পানীয় জলের সমস্যা আগে মেটানো দরকার। আমরা ব্লক প্রশাসনকে বহুবার জানিয়েছি। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। এরকম চলতে থাকলে শিশুরা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আসতে চাইবে না।
আউশগ্রাম-২ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আনন্দময়ী ঘোষ বলেন, শিশুদের পানীয় জলের সমস্যা আগে মেটানো দরকার। আমরা ব্লক প্রশাসনকে বহুবার জানিয়েছি। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। এরকম চলতে থাকলে শিশুরা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আসতে চাইবে না।



