সংবাদদাতা, মানকর: শীত পড়তেই আউশগ্রাম ও গলসি-১ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় নলেন গুড় তৈরি শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় খেজুর গাছের মিষ্টি রসে ভরে যাচ্ছে শিউলিদের হাঁড়ি। সেই রস দিয়েই তৈরি হচ্ছে খেজুর গুড় ও নবাত। জাঁকিয়ে শীত পড়লে গুড়ের চাহিদা আরও বাড়বে বলে শিউলিরা মনে করছেন।
Advertisement
প্রতি বছর শীত পড়লেই ভিনজেলা থেকে অমরারগড়, মানকর ও আশপাশের অঞ্চলে শিউলিরা আসেন। নদীয়া থেকে প্রতিবার শীতে আসেন রাজেশ শেখ, হানাই শেখ, মিন্টু শেখরা। তাঁরা জানালেন, সারা বছর অন্য পেশায় যুক্ত থাকলেও শীতের সময় তাঁরা খেজুর গুড় বিক্রি করেন।
সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত নলেন গুড়ের মরশুম চলে। প্রতিদিন দুপুর ২টোর দিকে তাঁরা খেজুর গাছে হাঁড়ি বেঁধে আসেন।
পরদিন ভোরে সেই হাঁড়ি নামিয়ে রাস্তার ধারে তাঁদের অস্থায়ী বাসস্থানে নিয়ে আসা হয়। তারপর উনুনে জ্বাল দিয়ে ঝোলা গুড় ও নবাত তৈরি করা হয়। ১০ লিটার রস থেকে ছয় কেজি নলেন গুড় হয়। তাকে আরও জ্বাল দিলে তৈরি হয় নবাত। ঝোলা গুড়ের দাম ১০০ টাকা। নবাতের দাম ১২০ টাকা।
মানকর-গুসকরা রাস্তায় অস্থায়ী ছাউনি করে নলেন গুড় বিক্রি করছেন রাজেশ শেখ। তিনি বলেন, হালকা ঠান্ডা পড়তেই খেজুর গুড় বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে এখনও আবহাওয়ায় গরমের ভাব রয়েছে। ফলে গুড় তৈরি করতে সমস্যা হচ্ছে। গরমের জন্য অনেকসময় খেজুরের রস নষ্ট হচ্ছে। জাঁকিয়ে শীত পড়লে গুড় তৈরিতে সমস্যা হবে না। বিক্রিও বাড়বে।
তবে শিউলিরা জানালেন, নলেন গুড়ের চাহিদা বাড়ছে দেখে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী ভেজাল নলেন গুড়ের কারবার করে।
সাধারণত নলেন গুড়ের রং গাঢ় বাদামি হয়। কিন্তু গুড়ের রং যদি অতিরিক্ত লাল বা সাদা হয়, তাহলে বুঝতে হবে তাতে রাসায়নিক দ্রব্য ও চিনি মেশানো আছে। ভেজাল গুড়ে মিষ্টি গন্ধও থাকে না। আপাতত জাঁকিয়ে শীত পড়ার অপেক্ষা করছেন শিউলিরা।
সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত নলেন গুড়ের মরশুম চলে। প্রতিদিন দুপুর ২টোর দিকে তাঁরা খেজুর গাছে হাঁড়ি বেঁধে আসেন।
পরদিন ভোরে সেই হাঁড়ি নামিয়ে রাস্তার ধারে তাঁদের অস্থায়ী বাসস্থানে নিয়ে আসা হয়। তারপর উনুনে জ্বাল দিয়ে ঝোলা গুড় ও নবাত তৈরি করা হয়। ১০ লিটার রস থেকে ছয় কেজি নলেন গুড় হয়। তাকে আরও জ্বাল দিলে তৈরি হয় নবাত। ঝোলা গুড়ের দাম ১০০ টাকা। নবাতের দাম ১২০ টাকা।
মানকর-গুসকরা রাস্তায় অস্থায়ী ছাউনি করে নলেন গুড় বিক্রি করছেন রাজেশ শেখ। তিনি বলেন, হালকা ঠান্ডা পড়তেই খেজুর গুড় বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে এখনও আবহাওয়ায় গরমের ভাব রয়েছে। ফলে গুড় তৈরি করতে সমস্যা হচ্ছে। গরমের জন্য অনেকসময় খেজুরের রস নষ্ট হচ্ছে। জাঁকিয়ে শীত পড়লে গুড় তৈরিতে সমস্যা হবে না। বিক্রিও বাড়বে।
তবে শিউলিরা জানালেন, নলেন গুড়ের চাহিদা বাড়ছে দেখে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী ভেজাল নলেন গুড়ের কারবার করে।
সাধারণত নলেন গুড়ের রং গাঢ় বাদামি হয়। কিন্তু গুড়ের রং যদি অতিরিক্ত লাল বা সাদা হয়, তাহলে বুঝতে হবে তাতে রাসায়নিক দ্রব্য ও চিনি মেশানো আছে। ভেজাল গুড়ে মিষ্টি গন্ধও থাকে না। আপাতত জাঁকিয়ে শীত পড়ার অপেক্ষা করছেন শিউলিরা।



