সংবাদদাতা, বর্ধমান: বুধবার আউশগ্রাম থানার গুসকরা বিট হাউসের পুলিস ও গলসি থানার পুলিস পৃথক অভিযানে দু’টি বালিবোঝাই ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত করেছে। দু’টি ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের বৃহস্পতিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। দু’টি ক্ষেত্রেই ধৃতদের দু’দিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম।
Advertisement
বালি পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে গুসকরা বিট হাউসের পুলিস একটি ট্রাক্টরকে আটক করে। চালক সোরহান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বাড়ি আউশগ্রাম থানার সুন্দলপুরে। পুলিস জানিয়েছে, বুধবার দুপুরে ট্রাক্টরটি বোলপুরের দিক থেকে বর্ধমানের দিকে আসছিল। বটগ্রাম মোড়ের কাছে পুলিস ট্রাক্টরটিকে আটকায়। চালক ট্রাক্টর থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে চালক গুসকরা বিট হাউসে এসে আত্মসমর্পণ করে। পুলিসি জেরায় ধৃত জানিয়েছে, অবৈধ খাদান থেকে বালি তুলে তা চড়া দামে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
গলসি থানার পুলিস বালি পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে বালিবোঝাই ট্রাক্টরটির মালিক ও চালককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম পলাশ কারক ওরফে কোচন ও ধনঞ্জয় বাগদি ওরফে বঙ্কা। দু’জনেরই বাড়ি গলসি থানার দাদপুরে। পুলিস জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় গলসির দিক থেকে বালিবোঝাই ট্রাক্টরটি বর্ধমানের দিকে আসছিল। জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোড ধরে আসার সময় পুলিস সেটিকে আটকায়। চালক কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি বলে পুলিসের দাবি।
গলসি থানার পুলিস বালি পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে বালিবোঝাই ট্রাক্টরটির মালিক ও চালককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম পলাশ কারক ওরফে কোচন ও ধনঞ্জয় বাগদি ওরফে বঙ্কা। দু’জনেরই বাড়ি গলসি থানার দাদপুরে। পুলিস জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় গলসির দিক থেকে বালিবোঝাই ট্রাক্টরটি বর্ধমানের দিকে আসছিল। জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোড ধরে আসার সময় পুলিস সেটিকে আটকায়। চালক কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি বলে পুলিসের দাবি।



