সংবাদদাতা, কাটোয়া: আউশগ্রামে আবার হানাদিল ‘বানজারা গ্যাং’। গৃহস্থের বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঢোকে দুই মহিলা ও এক পুরুষ। তাদের কোলে তিনটি শিশু ছিল। সোমবার সকালে একটি বাড়ি থেকে লক্ষ্মীর ভাঁড়ে থাকা দু’হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেয় বলে অভিযোগ। তবে আউশগ্রাম বাজারে তাদের পাকড়াও করে গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয় দুই মহিলা সহ এক যুবককে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম মিঠুন মালিক, সুমি মালিক ও পূজা পাশি। তারা গলসির চৌমাথা এলাকায় থাকে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে আউশগ্রামের উক্তা পঞ্চায়েতের পিচকুড়ি গ্রামে ঢোকে ওই বানজারা গ্যাং। তাদের দেখে গ্রামের অনেকেই ভিক্ষুক মনে করেন। এরপর গ্রামের বাসিন্দা মোস্তফা মল্লিকের বাড়িতে গ্যাংয়ের এক সদস্য ঢুকে যায়। বাকিরা বাইরে পাহারা দিচ্ছিল। ঘরে আলমারি খুলে একটি লক্ষ্মীর ভাঁড় পায় তারা। সেখানে দু’হাজার টাকার কয়েন ছিল। সেটা নিয়ে তারা বেরিয়ে আসে। সন্তান কোলে নিয়ে ওই গ্যাংটি টোটোতে চেপে চম্পট দেয়। গোলাম মোস্তফা স্থানীয় সিভিক ভলেন্টিয়ারকে ঘটনার কথা জানান। এরপরেই গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস ধাওয়া করে টোটোটিকে আটকে তাদের পাকড়াও করে। তাদের কাছ থেকে ওই লক্ষ্মীর ভাঁড়টি উদ্ধার করা হয়।
প্রসঙ্গত, কালীপুজোর সময়েও বানজারা গ্যাং হানা দেয় গুসকরা, ভাতার, গলসি এলাকায়। বেশ কয়েকটি কালীমন্দরে বিগ্রহের গয়না চুরি করে তারা। পুলিস তাদের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে পুলিস জানতে পারে তারা ভিক্ষাবৃত্তি করে গ্রামে ঘুরে ঘুরে রেইকি করে আসে। রাত হলেই মন্দিরে গিয়ে তালা ভেঙে বিগ্রহের গয়না চুরি করে। গ্রামের ছোট মন্দিরগুলিই এদের মূল টার্গেট থাকে। পাশাপাশি সুযোগ বুঝে গৃহস্থের বাড়িতেও অপারেশন চালায়।
প্রসঙ্গত, কালীপুজোর সময়েও বানজারা গ্যাং হানা দেয় গুসকরা, ভাতার, গলসি এলাকায়। বেশ কয়েকটি কালীমন্দরে বিগ্রহের গয়না চুরি করে তারা। পুলিস তাদের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে পুলিস জানতে পারে তারা ভিক্ষাবৃত্তি করে গ্রামে ঘুরে ঘুরে রেইকি করে আসে। রাত হলেই মন্দিরে গিয়ে তালা ভেঙে বিগ্রহের গয়না চুরি করে। গ্রামের ছোট মন্দিরগুলিই এদের মূল টার্গেট থাকে। পাশাপাশি সুযোগ বুঝে গৃহস্থের বাড়িতেও অপারেশন চালায়।



