নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শাসনে আইএসএফ নেতাকে অপহরণ কাণ্ডে সামনে এল একটি চাঞ্চল্যকর কল রেকর্ড! সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই অডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যদিও এর সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান। ভাইরাল অডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, আইএসএফের এক কর্মী অপরজনকে বলছেন, পিয়ারুল ইসলাম ফোন বন্ধ করে দিচ্ছেন। এলাকায় রটিয়ে দাও উনি অপহৃত হয়েছেন। আর এই রেকর্ড বাইরে আসতেই চোরস্রোত বইতে শুরু করেছে শাসনে। তৃণমূলের দাবি, এলাকাকে উত্তপ্ত করতে ওদের প্ল্যান বুমেরাং হল।
কয়েকদিন ধরে শাসনে তৃণমূল ও আইএসএফের মধ্যে চাপানউতোর চলছে। পতাকা ছেঁড়া নিয়ে সোমবার শাসন থানায় লিখিত অভিযোগ করতে যান আইএসএফের হাড়োয়ার অবজার্ভার পিয়ারুল ইসলাম সহ নেতা-কর্মীরা। পালটা তৃণমূলের লোকজনও থানায় আসেন আইএসএফের নামে অভিযোগ করতে। এনিয়ে সাময়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পুলিশ তৃণমূল কর্মীদের এলাকা থেকে সরিয়ে দিয়ে পিয়ারুলকে নিরাপদে এলাকা থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই পিয়ারুলকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। প্রতিবাদে পথে নামেন আইএসএফ কর্মীর। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল এই কাজ করেছে। রাতে খোঁজ মেলে পিয়ারুলের। মঙ্গলবার সকাল থেকেই আইএসএফ নেতার কথোপকথনের অডিয়ো ভাইরাল হয়। নেতাদের স্পষ্ট বলতে শোনা যাচ্ছে, অপহরণের বিষয়টি রটিয়ে দিতে হবে। কারণ, পিয়ারুল ফোন বন্ধ করে দেবেন। কেউ যোগাযোগ করতে পারবেন না। ফলে মানুষ বিশ্বাস করে নেবে। তৃণমূলের দাবি, পিয়ারুল উদ্ধারের পর একটি ভিডিয়ো বার্তা দিয়েছেন। তখন তাঁকে সুস্থ মনে হচ্ছিল। কিন্তু এর কয়েকঘণ্টা পরে একটি ভিডিয়োতে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়। এটা কীভাবে সম্ভব? দুই ভিডিয়োর মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়ে গিয়েছে বলেই দাবি করেছে তৃণমূল। এ নিয়ে তৃণমূল নেতা আসের আলি মল্লিক বলেন, কুৎসা রটাতে চাইছে আইএসএফ। ওদের অপহরণের পর্দাফাঁস করে দিয়েছে ওদের কর্মীরাই। আইএসএফেরর উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সম্পাদক কুতুবউদ্দিন ফাতেহি বলেন, আসলে আইএসএফকে ভয় পেয়েছে তৃণমূল। তাই এইসব করে বেড়াচ্ছে। এখন অনেক অডিয়ো তৈরি করা যায়।