Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রথম পক্ষের ছেলেকে অপহরণের চেষ্টা, ধৃত দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী-মেয়ে

হোটেলের মালিকানা নিয়ে মালিকের প্রথমপক্ষের ছেলের সঙ্গে দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রীর দীর্ঘদিনের ঝামেলা। সেই ঝামেলার জেরেই প্রথমপক্ষের ছেলেকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে।

প্রথম পক্ষের ছেলেকে অপহরণের চেষ্টা, ধৃত দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী-মেয়ে
  • ৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: হোটেলের মালিকানা নিয়ে মালিকের প্রথমপক্ষের ছেলের সঙ্গে দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রীর দীর্ঘদিনের ঝামেলা। সেই ঝামেলার জেরেই প্রথমপক্ষের ছেলেকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে। শ্যামপুর থানার পুলিস শুক্রবার বিকেলে ওই যুবককে উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযুক্ত মা ও মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে। পাশাপাশি মা ও মেয়ের সঙ্গে থাকা ৫০ জন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিস। শ্যামপুর থানার পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই হোটেলের মালিকানা নিয়ে মালিকের প্রথমপক্ষের ছেলের সঙ্গে দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রী ও মেয়ের ঝামেলা চলছিল। হোটেলটি গড়চুমুকে ৫৮ গেটের কাছে। অভিযোগ, এদিন বিকেলে মা ও মেয়ে বেশ কয়েকজন লোককে ভাড়া করে নিয়ে এসে চড়াও হয় ওই হোটেলে। সূত্রের খবর, তখনও হোটেলের মালিকানা নিয়ে একপ্রস্থ বাগবিতণ্ডা হয়। সেই সময় মালিকের দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রীর লোকজন প্রথমপক্ষের ছেলেকে মারধর করার পাশাপাশি গাড়িতে তুলে অপহরণের চেষ্টা করে। যদিও পুলিস রাতারাতি খবর পেয়ে চলে আসে সেখানে এবং যুবককে উদ্ধার করে।
এই ঘটনার পরেই বিশাল পুলিস বাহিনী পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। আসেন হাওড়া জেলা গ্রামীণ পুলিসের পদস্থ কর্তারা। তাঁরা অভিযুক্ত মা ও মেয়েকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৫০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। হাওড়া গ্রামীণ জেলার পুলিস সুপার সুবিমল পাল বলেন, হোটেল মালিকের প্রথমপক্ষের লোকজনের সঙ্গে দ্বিতীয়পক্ষের সদস্যদের ঝামেলা। তার জেরে এক যুবককে অপহরণের চেষ্টা হয়েছিল। পুলিস তাঁকে উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় মা ও মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা যাঁদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন, এমন ৫০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তাদের গাড়িগুলিকেও আটক করা হয়েছে। পুলিস সুপার বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অনেককে ভুল বুঝিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিস সুপার। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ