ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর: বাংলাদেশে ফের প্রশ্নের মুখে কূটনীতিকদের নিরাপত্তা। চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার রাজীব রঞ্জনের বাসভবনে হামলা করে উন্মত্ত জনতা। শুক্রবার ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাদের প্রতিহত করলে দু’তরফে সংঘর্ষ বেধে যায়। তাতে জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে আন্দোলনকারীও আছেন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
চট্টগ্রামের এই ঘটনায় স্বভাবতই চূড়ান্ত অস্বস্তিতে মহম্মদ ইউনুস প্রশাসন। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ। তিনি ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সিএমপি কমিশনার জানান, বিক্ষোভকারীরা ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবন লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়েছিল। ঘটনার সময় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার তাঁর বাসভবনেই ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে হয়। অভিযানে জড়িত সন্দেহে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে, ধর্ম নিয়ে ‘কটূক্তির’অজুহাতে ময়মনসিংহে দিপুচন্দ্র দাশ নামে এক শ্রমিককে পিটিয়ে খুন করল সহকর্মীরা। কারখানার মধ্যেই তাঁকে খুন করা হয়। এর পরে রাস্তার পাশে পুড়িয়ে দেওয়া হল দেহ। এই ঘটনা সমনে আসতেই চিন্তার ভাঁজ পড়েছে সেদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের কপালে। গত বছর আগস্ট মাসে হাসিনা সরকার পতনের পরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা মাথাচাড়া দিয়েছিল। ময়মনসিংহের ঘটনায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন অনেকে।