নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়তেই ফের টালমাটাল বিশ্ব অর্থনীতি। সৌদি আরবে হামলার জেরে ধাক্কা খেতে পারে জ্বালানি সরবরাহ, এই আশঙ্কার মধ্যে একধাক্কার অনেকটাই বাড়ল অশোধিত তেলের দাম। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীতে। এই অস্থিরতার প্রভাব পড়তে চলেছে শেয়ার বাজারেও। বৃহস্পতিবার একাদশীর দিন সেনসেক্স পড়েছে ৪৬০ পয়েন্টের বেশি। নিফটিও ১২৩.৭০ পয়েন্ট। মিড ও স্মল ক্যাপ স্টকের দামেও স্থিরতা নেই। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, সৌদিতে একের পর এক হামলার জেরে নতুন করে অশান্তি বাড়ছে। এরমধ্যেই ২৭-২৮ অক্টোবর আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভের সুদ সংক্রান্ত বৈঠক বসছে। সেদিকেও নজর রয়েছে বিনিয়োগকারীদের। পাশাপাশি, টাকার দামেও পতন অব্যাহত। বুধবারের তুলনায় ৪৪ পয়সা বেড়ে ডলার পিছু টাকার দাম দাঁড়িয়েছে ৯৪ টাকা ৮২ পয়সা। সবমিলিয়ে অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্যে অর্থনীতি।
সৌদিতে হামলার পরই কূটনীতিবিদের একাংশকে পরিবার নিয়ে দ্রুত সেদেশ ছাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন বিদেশ দপ্তর। তারপরই ব্রেন্ট তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ব্যারেল পিছু ১১২ ডলার। পাশাপাশি, নভেম্বরে অশোধিত তেলের মূল্যও ৩.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে চলেছে। সবমিলিয়ে টাকার অংকে যা ৩০৬ টাকা। অর্থাৎ দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল দাঁড়াবে ৯৫১৪ টাকায়। চয়েজ ব্রোকিংয়ের টেকনিক্যাল রিসার্চ অ্যানালিস্ট আমির মাকদা জানিয়েছেন, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার পারদ চড়ছে। ইউক্রেনও রাশিয়ার বিরুদ্ধে টানা আক্রমণ চালাচ্ছে। তাতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাতে চড়ছে জ্বালানির দাম।



