সংবাদদাতা, বালুরঘাট: কুমারগঞ্জের পর বালুরঘাট। দীর্ঘ দুই বছর পর বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর বেশকিছু চর লিজ দেওয়ার জন্য নিলামের প্রক্রিয়া শুরু জেলা ভূমি দপ্তর। বালুরঘাটে আত্রেয়ী নদী থেকে বালি চুরি রুখতে বেশকিছু দিন আগে ভূমি দপ্তর চরগুলি নিলামের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে চিঠি দিয়ে অনুমতি চেয়েছিল। তারপরেই টেন্ডার করতে রাজ্য থেকে প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোন কোন চর থেকে বালি উত্তোলন করা যাবে, ভূমি দপ্তর তার মাপজোখ শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কুমারগঞ্জের চরগুলির টেন্ডার সম্পূর্ণ হয়েছে। দ্রুত ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হবে। স্বাভাবিকভাবে বালুরঘাটের পাগলিগঞ্জ, পতিরামে বৃহৎ চরগুলির নিলাম সম্পূর্ণ হলে বালি চুরি অনেকটাই কমবে বলে আশাবাদী ভূমি দপ্তর।
Advertisement
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ভূমি দপ্তরের আধিকারিক বিভাস বিশ্বাস বলেন, কুমারগঞ্জের চরগুলির টেন্ডার সম্পূর্ণ হয়েছে। দ্রুত কাজের অনুমতি দেওয়া হবে। প্রাপকরা টাকা জমা না দেওয়ার কারণে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। বালুরঘাটের বেশকিছু চর নিলামের প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে।
ভূমি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পতিরাম, পোল্লাপাড়া, ফুলঘরা, চকভৃগুর চরগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলির এখন মাপজোখ শুরু হয়েছে। কোন চর থেকে কত বালি থেকে তোলা যাবে, ভূমি দপ্তর সেই হিসেব করে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠাবে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আত্রেয়ী নদী থেকে দেদার হারে বালি চুরি রুখতে ভূমি দপ্তর একাধিক পদক্ষেপ নিলেও পাচারকারীদের বাগ মানাতে পারছে না। তাছাড়া চরগুলির নিলাম প্রায় দুই বছর বন্ধ। যার ফলে চরগুলি থেকে বালি চুরি করে তা বিক্রি করে দেওয়ায় সরকার অনেক রাজস্ব হারাচ্ছে। এবার ক্ষতি কমিয়ে লাভ বাড়বে বলেই আশা।
ভূমি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পতিরাম, পোল্লাপাড়া, ফুলঘরা, চকভৃগুর চরগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলির এখন মাপজোখ শুরু হয়েছে। কোন চর থেকে কত বালি থেকে তোলা যাবে, ভূমি দপ্তর সেই হিসেব করে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠাবে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আত্রেয়ী নদী থেকে দেদার হারে বালি চুরি রুখতে ভূমি দপ্তর একাধিক পদক্ষেপ নিলেও পাচারকারীদের বাগ মানাতে পারছে না। তাছাড়া চরগুলির নিলাম প্রায় দুই বছর বন্ধ। যার ফলে চরগুলি থেকে বালি চুরি করে তা বিক্রি করে দেওয়ায় সরকার অনেক রাজস্ব হারাচ্ছে। এবার ক্ষতি কমিয়ে লাভ বাড়বে বলেই আশা।



