সংবাদদাতা, পতিরাম: আত্রেয়ী নদীর বাঁধ ভাঙায় নতুন বিপত্তি। বাঁধ ভেঙে জল বেরিয়ে যেতেই উজানে জল কমে গিয়ে অনেক জায়গায় চর বেরিয়ে এসেছে। বাঁধের ৫০০ মিটার দূরেই নদী শুকিয়ে কার্যত কাঠ। বোরো ধান চাষের মরশুমে আবাদি জমিতে জল দিতে সমস্যায় পড়েছে জলসম্পদ দপ্তর। আত্রেয়ীর দু’পাড়ে বহু চাষি বোরো ধান চাষ করেন। জল না পেয়ে চরম সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। সমস্যা সমাধানে সেচ ও জলসম্পদ দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা। ডিএম বলেন, আত্রেয়ী বাঁধের কাজ চলছে। সেচ ও জলসম্পদ দপ্তরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। জলসম্পদ দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় নদীর জল কমে গিয়েছে। নদী থেকে জল তুলে কৃষি জমিতে দিতে অনেক জায়গায় সমস্যা হচ্ছে।
Advertisement
আত্রেয়ীর বাঁধ ভাঙায় নদীর জল বাংলাদেশের দিকে বেরিয়ে যাচ্ছে। বাঁধের পাশে হাঁটুজলও আর নেই। বাঁধের ৫০০ মিটার আগেই শুকিয়ে গিয়েছে নদী। কুমারগঞ্জ পর্যন্ত জলস্তর একেবারে নেমে গিয়েছে। কুমারগঞ্জ থেকে বাঁধ পর্যন্ত ৩৫-৪০ টি জল তোলার মেশিন রয়েছে। বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় চাষের জমিতে জল পেতে সমস্যা হচ্ছে।
সেচ ও জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, আত্রেয়ী বাঁধের নকশা পরিবর্তন করে নতুনভাবে তৈরি করা হচ্ছে। নতুন নকশা অনুযায়ী কাজ করবে সেচদপ্তর। এদিন জেলাশাসকের কাছে বাঁধের উচ্চতা কমানোর দাবি তুলেছে উত্তরবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরাম। ফোরামের কনভেনার বিশ্বজিৎ বসাক বলেন, ড্যামের উচ্চতা বেশি থাকায় উজানের মাছ চলাফেরা করতে পারে না।
সেচ ও জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, আত্রেয়ী বাঁধের নকশা পরিবর্তন করে নতুনভাবে তৈরি করা হচ্ছে। নতুন নকশা অনুযায়ী কাজ করবে সেচদপ্তর। এদিন জেলাশাসকের কাছে বাঁধের উচ্চতা কমানোর দাবি তুলেছে উত্তরবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরাম। ফোরামের কনভেনার বিশ্বজিৎ বসাক বলেন, ড্যামের উচ্চতা বেশি থাকায় উজানের মাছ চলাফেরা করতে পারে না।



