Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জোড়া এটিএম লুট কাণ্ডে ধৃত আরও এক ‘টেনিয়া’ হিসেবে কাজের কমিশন দু’লাখ!

এদিকে এটিএম লুটে ব্যবহৃত গ্যাস কাটার সহ একজনকে গ্রেপ্তার করে জেলা আদালতে হাজির করে

জোড়া এটিএম লুট কাণ্ডে ধৃত আরও এক ‘টেনিয়া’ হিসেবে কাজের কমিশন দু’লাখ!
  • ১৬ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: এটিএম লুটে ‘টেনিয়া’ (সহযোগী বা এজেন্ট অর্থে দুষ্কৃতীরা ‘টেনিয়া’ শব্দটি ব্যবহার করে) হিসেবে কাজের কমিশন দু’লাখ টাকা! গত ৭ মার্চ রাতে ইটাহার ও রায়গঞ্জের দুটি এটিএম লুটের ঘটনা নিয়ে টানা ৮ দিন তদন্ত চালিয়ে এমনই তথ্য পেয়েছে রায়গঞ্জ পুলিস। এদিকে এটিএম লুটে ব্যবহৃত গ্যাস কাটার সহ একজনকে গ্রেপ্তার করে জেলা আদালতে হাজির করে। ধৃতের নাম সফিকুল মণ্ডল (৩৭)। এনিয়ে ধৃতের সংখ্যা দুই। তাদের জেরা করে পুলিসের অনুমান, কমিশনের ভিত্তিতে এটিএম লুটের ক্ষেত্রে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। গোটা অপারেশন চালিয়েছে ভিনরাজ্যের ‘এটিএম কাটার গ্যাং’। রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন,  ধৃত সফিকুল মণ্ডলকে আদালত ৮ দিনের পুলিস হেফাজতে পাঠিয়েছে। 

Advertisement

পুলিস সূত্রে দাবি, এটিএম লুটের তদন্তে নেমে ছয়দিন আগে মামুন হোসেন নামে একজনকে পুলিস দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে গ্রেপ্তার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবার সন্ধান মিলল সফিকুলের। বাড়ি হিলি থানা এলাকায়। তার কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডার, অক্সিজেন পাইপ, রডের মতো এটিএমের ভোল্ট কাটার সরঞ্জাম মিলেছে। এখনও পর্যন্ত এটিএম থেকে খোয়া যাওয়া লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার হয়েছে। পুলিসের আশা আরও কয়েকলক্ষ টাকা ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হতে পারে। যা তারা কমিশন বাবদ ওই গ্যাংয়ের থেকে পেয়েছিল। ধৃত এই দুজন ছোটখাটো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকত। এবার তারা ভিনরাজ্যের ওই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, মামুন হোসেন ও সফিকুল এখন ট্রেনিং পিরিয়ডে ছিল। কীভাবে ছক কষে এটিএম লুট করতে হয়, তা তারা শিক্ষানবিশ হিসেবে শিখেছে। ধৃতরাই ভিনরাজ্য থেকে আগত গ্যাং সদস্যদের থাকা, খাওয়া, পথ চেনানোর কাজ করেছে। গাড়ি, গ্যাস কাটারের মতো যন্ত্রাংশ সরবরাহ করেছে। তারা অপারেশন করে গা ঢাকা দিয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ