নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: আট মাস আগের ঘটনা। ডাক্তার দম্পত্তির বিয়ের আসর থেকে গায়েব প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার সামগ্রী! সেই ঘটনার সঙ্গেও জড়িত পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়ির পুলিসের হাতে ধৃত রং মিস্ত্রি মনোজ চৌধুরী। চারদিন ধরে ধৃতকে জেরা করে এমন তথ্য পেয়েছে খালপাড়া ফাঁড়ির পুলিস। এজন্যই বুধবার তারা কিনারা না হওয়া সেই চুরির মামলা পুনরায় চালুর আবদেন আদালতে জানিয়েছে। তা মঞ্জুর করেছে আদালত। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিস জানিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের একটি গ্যাংয়ের আদলে অতিথির বেশে বিয়ের আসরে চুরি করত ধৃত ব্যক্তি।
Advertisement
২০২৪ সালের ৩০ জুন শিলিগুড়ি শহরের বর্ধমান রোডের একটি অতিথি নিবাসে দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুচিস্মিতা ঘোষের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। দু’জনেই পেশায় চিকিৎসক। সুচিস্মিতার বাবার বাড়ি শহরের বাবুপাড়ায়। তাঁর বাবা শিবনাথ ঘোষ পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে সোনার গয়না, দামি উপহার, চেক ও নগদ মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার সামগ্রী চুরি হয়। জামাইয়ের বাড়ি কলকাতায়। ৩ জুলাই কলকাতায় তাঁদের রিসেপশন পার্টি হয়। সেখান থেকে ফিরে অতিথি নিবাসের ভিডিও ফুটেজ দেখার পর ১৭ জুলাই খালপাড়া ফাঁড়িতে অভিযোগ জানাই।
ওই ফাঁড়ি শিলিগুড়ি থানার অধীনে। পুলিস ও আদালত সূত্রের খবর, সেই চুরির ঘটনার ভিডিও ফুটেজ হাতে পেলেও পুলিস তা কিনারা করতে পারেনি বলে অভিযোগ। বহু খোঁজাখুঁজির পরও অভিযুক্তের নাগাল মেলেনি। নিরুপায় হয়ে সেই মামলা নিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট আদালতে দাখিল করেছিল পুলিস। এই অবস্থায় পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়ির পুলিস আরএকটি চুরির ঘটনায় রং মিস্ত্রি মনোজকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে জেরা করেই চিকিৎসক দম্পত্তির বিয়ের আসরের চুরির ঘটনা সংক্রান্ত তথ্য পুলিসের কাছে এসেছে। তাই এদিন এসিজেএম আদালতে চিকিৎসক দম্পত্তির বিয়ের আসরের চুরির মামলা পুনরায় চালুর আর্জি জানায় পুলিস।
আদালত সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি থানায় ওই মামলার কেস নম্বর ৬৬৩/২৪। মামলার এপিপি সুদীপ রায় বসুনিয়া বলেন, ওই চুরির মামলা পুনরায় চালু করা নিয়ে পুলিসের আবেদন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। পুলিস ফের মামলার তদন্ত শুরু করছে। পুলিস সূত্রের খবর, এবার ধৃত রং মিস্ত্রিকে শ্যোন অ্যারেস্ট করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে খালপাড়া ফাঁড়ি।
প্রসঙ্গত, রবিবার সেভক রোডে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে মনোজকে ধরে পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়ির হাতে তুলে দেন বাসিন্দারা। আদালতের নির্দেশে ধৃত পুলিস হেফাজতে রয়েছে। শিবমন্দিরে তার বাড়ি। সুঠাম চেহারা। মাঝারি উচ্চতা। পরনে ব্লেজার ও জিন্স। হাতে স্মার্ট ফোন। মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় চিকিৎসক দম্পত্তির বিয়ের অনুষ্ঠানের রেকর্ডিং করতে করতে অভিযুক্ত দামি সামগ্রী নিয়ে চম্পট দেয়। পুলিস জানিয়েছে, গত ডিসেম্বর মাসে মাটিগাড়ার একটি রিসর্টে বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথির বেশে চুরি করেছিল মধ্যপ্রদেশের একটি গ্যাং। সেই গ্যাংয়ের কায়দায় ধৃত ব্যক্তি শহরের একাধিক চুরি ঘটনা চালিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।
ওই ফাঁড়ি শিলিগুড়ি থানার অধীনে। পুলিস ও আদালত সূত্রের খবর, সেই চুরির ঘটনার ভিডিও ফুটেজ হাতে পেলেও পুলিস তা কিনারা করতে পারেনি বলে অভিযোগ। বহু খোঁজাখুঁজির পরও অভিযুক্তের নাগাল মেলেনি। নিরুপায় হয়ে সেই মামলা নিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট আদালতে দাখিল করেছিল পুলিস। এই অবস্থায় পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়ির পুলিস আরএকটি চুরির ঘটনায় রং মিস্ত্রি মনোজকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে জেরা করেই চিকিৎসক দম্পত্তির বিয়ের আসরের চুরির ঘটনা সংক্রান্ত তথ্য পুলিসের কাছে এসেছে। তাই এদিন এসিজেএম আদালতে চিকিৎসক দম্পত্তির বিয়ের আসরের চুরির মামলা পুনরায় চালুর আর্জি জানায় পুলিস।
আদালত সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি থানায় ওই মামলার কেস নম্বর ৬৬৩/২৪। মামলার এপিপি সুদীপ রায় বসুনিয়া বলেন, ওই চুরির মামলা পুনরায় চালু করা নিয়ে পুলিসের আবেদন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। পুলিস ফের মামলার তদন্ত শুরু করছে। পুলিস সূত্রের খবর, এবার ধৃত রং মিস্ত্রিকে শ্যোন অ্যারেস্ট করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে খালপাড়া ফাঁড়ি।
প্রসঙ্গত, রবিবার সেভক রোডে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে মনোজকে ধরে পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়ির হাতে তুলে দেন বাসিন্দারা। আদালতের নির্দেশে ধৃত পুলিস হেফাজতে রয়েছে। শিবমন্দিরে তার বাড়ি। সুঠাম চেহারা। মাঝারি উচ্চতা। পরনে ব্লেজার ও জিন্স। হাতে স্মার্ট ফোন। মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় চিকিৎসক দম্পত্তির বিয়ের অনুষ্ঠানের রেকর্ডিং করতে করতে অভিযুক্ত দামি সামগ্রী নিয়ে চম্পট দেয়। পুলিস জানিয়েছে, গত ডিসেম্বর মাসে মাটিগাড়ার একটি রিসর্টে বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথির বেশে চুরি করেছিল মধ্যপ্রদেশের একটি গ্যাং। সেই গ্যাংয়ের কায়দায় ধৃত ব্যক্তি শহরের একাধিক চুরি ঘটনা চালিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।



