নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: শিল্পাঞ্চল থেকে ফের স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল পুলিস। বিহারের কুখ্যাত অস্ত্র কারবারি মহম্মদ আসিফকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আসানসোল উত্তর থানার কলেজিয়েট স্কুলের পিছনে অস্ত্র কারবারিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। উদ্ধার হয়েছে তিনটি সেভেন এমএম পিস্তল। তার কাছ থেকে ছ’টি ম্যাগাজিনও পাওয়া গিয়েছে। কিছুদিন আগেই কুলটি থানার পুরনো কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের কাছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছিল এসটিএফ। গ্রেপ্তার হয়েছিল মুর্শিদাবাদের দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতী। এদিন ফের বিহারের কুখ্যাত অস্ত্র কারবারী গ্রেপ্তারের ঘটনায় শহরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আসিফ কাকে অস্ত্র দিতে এসেছিল, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস সেটা জানতে চাইছে। কী জন্য এই অস্ত্র কেনা হচ্ছিল তাও জানার চেষ্টা করছে।
Advertisement
ডিসি ধ্রুব দাস বলেন, একজন অস্ত্র কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে আসানসোল উত্তর থানার পুলিস। তার কাছ থেকে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, মহম্মদ আসিফ বিহারের বাসিন্দা হলেও এখন সে থাকে ঝাড়খণ্ডের ঝরিয়ায়। বড় একটি অস্ত্রপাচারকারী গ্যাংয়ের সদস্য বলেও জানা গিয়েছে। সে বিহার থেকে ঝাড়খণ্ড হয়ে বাংলায় অস্ত্র নিয়ে ঢুকবে, এমনই খবর ছিল রাজ্য পুলিসের স্পেশাল ট্রাস্ক ফোর্সের কাছে। সেজন্য বিভিন্ন প্রান্তে সতর্ক ছিল আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের আধিকারিকরাও।
বৃহস্পতিবার রাতে আসানসোলে আসিফের অবস্থান স্পষ্ট হতেই চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলে আসানসোল উত্তর থানার পুলিস। উদ্ধার করা হয় আগ্নেয়াস্ত্রগুলি। শুক্রবার অভিযুক্তকে আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই কুলটি থানা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল। মুর্শিদাবাদে দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিহারের মুঙ্গের থেকে বিপুল পরিমাণ ওই অস্ত্র নিয়ে আসছিল বাংলায়। ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে তারা অস্ত্র নিয়ে বাংলায় ঢুকতে গিয়ে এসটিএফের হাতে ধরা পড়ে। অস্ত্র কারবারের ক্ষেত্রে যেভাবে শিল্পাঞ্চলকে করিডর হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে শহরের মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার রাতে আসানসোলে আসিফের অবস্থান স্পষ্ট হতেই চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলে আসানসোল উত্তর থানার পুলিস। উদ্ধার করা হয় আগ্নেয়াস্ত্রগুলি। শুক্রবার অভিযুক্তকে আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই কুলটি থানা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল। মুর্শিদাবাদে দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিহারের মুঙ্গের থেকে বিপুল পরিমাণ ওই অস্ত্র নিয়ে আসছিল বাংলায়। ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে তারা অস্ত্র নিয়ে বাংলায় ঢুকতে গিয়ে এসটিএফের হাতে ধরা পড়ে। অস্ত্র কারবারের ক্ষেত্রে যেভাবে শিল্পাঞ্চলকে করিডর হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে শহরের মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে।



