Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আসানসোল পুরসভার ৪০ লক্ষ টাকা জালিয়াতি, নাগপুর থেকে গ্রেপ্তার ৩

আসানসোল পুরসভার ৪০ লক্ষ টাকা জালিয়াতি, নাগপুর থেকে গ্রেপ্তার ৩
  • ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: আসানসোল পুরসভার অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ লক্ষ টাকা গায়েব হওয়ার ঘটনায় এবার মহারাষ্ট্রের নাগপুর থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল আসানসোল সাইবার থানার পুলিস। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, আসানসোল পুরসভার ১৪ অর্থ কমিশনের টাকা যে অ্যাকাউন্টে রয়েছে সেখানেই প্রতারণা হয়েছে। পুরসভার নামে ইস্যু হওয়া চেকের নকল করে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর থেকে এই টাকা তুলে নেওয়া হয়েছিল। পুলিস তদন্তে নেমে জব্বলপুর থেকে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই নাগপুর থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, নকল চেকটি বিভিন্ন হাত বদল করে ব্যাঙ্কে পাঠানো হয়। যাতে মূল মাথাকে ধরা না যায়। এর পিছনে অনেক বড় চক্র রয়েছে। 
Advertisement
আসানসোল পুলিস কমিশনারেটের ডিসি অরবিন্দ আনন্দ বলেন, আসানসোল পুরসভার টাকা প্রতারণার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আমরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। মাস্টারমাইন্ড অধরা, তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু বলা যাবে না। 
দুর্গাপুজোর সময়ে পুরসভা যখন বন্ধ ছিল তখনই পুরো প্রতারণাটি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে ওই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যে ফোন নম্বরটি সংযুক্ত রয়েছে তা পরিবর্তন করা হয়। আসানসোলের ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, পুরসভার প্যাডে তাদের কাছে ফোন নম্বর পরিবর্তনের আর্জি আসে। তারপরই প্রথমে ৪০ লক্ষ টাকা একটি চেকের মাধ্যমে জব্বলপুরের ওই ব্যা঩ঙ্কের সেখানকার ব্রাঞ্চ থেকে তুলে নেওয়া হয়। জব্বলপুর থেকেই ফের আসানসোল পুরসভার অ্যাকাউন্ট থেকে ৮০ লক্ষ টাকা তোলার জন্য আরও একটি চেক সেই ব্রাঞ্চে জমা পড়ে। তখনই বিষয়টি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়। এরপরই পুরো বিষয়টি প্রকা঩শ্যে আসে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম যে দু’জনকে ধরা হয়েছিল তাদের মধ্যে একজনের অ্যাকাউন্টে প্রতারণার টাকা ঢোকানো হয়েছিল। সে ১০ শতাংশ কমিশনের ভিত্তিতে নিজের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে দিয়েছিল। অন্যজন ছিল মিডিল ম্যান। যে প্রতারকদের সঙ্গে তার পরিচয় করিয়ে দেয়। এরপর তাদের সূত্র ধরে পুলিস নাগপুরের তিনজনের সন্ধান পায়। যারা নকল চেকটি জব্বলপুরের দু’জনের হাতে তুলে দিয়েছিল। পুলিস তাদেরও নিজেদের হেফাজতে নেয়।
সম্পর্কিত সংবাদ