নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: বালি ও কয়লার অবৈধ কারবার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ধমকের পরই তৎপর হয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলা পুলিস-প্রশাসন। লোহা কারবারের অভিযোগে দুই তৃণমূল নেতা গ্রেপ্তারের পর এবার প্রভাবশালী শাসক ঘনিষ্ঠ জমি মাফিয়াকে জালে তুলল পুলিস। আসানসোল উত্তর থানার পুলিস ওকে রোড থেকে এহেতেশাম আজমি ওরফে উইলসনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুকুর ভরাট করে প্লটিং করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পুলিস সক্রিয় হওয়ায় ঘুম উবেছে মাফিয়াদের। উল্লেখ্য, শীর্ষস্তরের কড়া বার্তার পরই সাসপেন্ড হয়েছেন বারাবানি থানার ওসি, কম্পালসারি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হয়েছে কাঁকসার আইসি পার্থ ঘোষকে। কখন নামে শাস্তির খাঁড়া, সেই ভয়ে তটস্থ পুলিসের একাংশ। বারাবনি, কাঁকসার পর এবার কার পালা, সেই হিসেব কষা চলছে। সংগঠনে কী পরিবর্তন আসে তা নিয়েও রক্তচাপ বেড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের। আর এসবের জেরে কয়লা থেকে বালি, অবৈধ ডিওর কারবারে কিছুটা লাগাম পড়েছে। বন্ধ হচ্ছে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা অবৈধ ক্র্যাশারও।
Advertisement
আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের ডিসি ধ্রুব দাস বলেন, পুকুর ভরাট করা হচ্ছে বলে পুরসভার ইঞ্জিনিয়ার অভিযোগ করেছিলেন। তদন্তে নেমে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত উইলসন আসানসোলের বড় রিয়েল এস্টেট কারবারি। অত্যন্ত প্রভাবশালী। অভিযোগ, আসানসোল উত্তর থানা এলাকায় একের পর এক পুকুর ভরাট ও খাসজমি দখলে তার হাত রয়েছে। কয়েক বছরেই ফুলেফেঁপে উঠেছে তার সম্পত্তি। ওকে রোডে প্রাসাদোপম বাড়ি, অসংখ্য বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে তাঁর। এহেন প্রভাবশালীকে পুকুর ভরাটের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে শনিবার আসানসোল আদালতে তোলা হয়। বিচারক সাতদিন পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
অসাধু পুলিসকর্মী থেকে শাসকদলের নেতা বা নেতা ঘনিষ্ঠ কারবারি, প্রশাসনের কোপ থেকে বাদ যাচ্ছে না কেউ। যার জেরে ত্রাহি ত্রাহি রব শিল্পাঞ্চলজুড়ে। গত দু’দিনে অবৈধ বালি, কয়লা কারবার কমে গিয়েছে। হীরাপুর থানার চাপরাইদ মৌজায় গজিয়ে উঠেছে একাধিক বালি ও পাথর ক্র্যাশার। সেখানে সব কাজ বন্ধ। কর্মীদের দাবি, এখন কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। দামোদর, অজয় নদীতে বেআইনিভাবে মেশিনে বালি তোলা হয়। অভিযোগ, বীরভূমের তামরা মৌজার চালানে জামুড়িয়ার চিচুড়বিল মৌজায় বালি তোলা হচ্ছে। একইভাবে চুরুলিয়ায় অবৈধ কয়লা কারবারের রমরমা শুরু হয়েছিল। শুক্রবার থেকে তা সম্পূর্ণ বন্ধ। এই এলাকায় অবৈধ পাথর ক্র্যাশারের রমরমা কারবার চলেছে বছরের পর বছর। অভিযোগ জানিয়েও কোনও ফল মেলেনি। মুখ্যমন্ত্রীর এক ধমকের পরই রাতারাতি সব ক্র্যাশার বন্ধ। কুলটি থানার সবনপুর। আসানসোল পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডেই এই এলাকাটি চৌরঙ্গি ফাঁড়ি থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে রয়েছে। পুলিস-জেলা প্রশাসনকে বার বার অভিযোগ করেও অবৈধ কয়লা কারবার বন্ধ করতে পারেননি স্থানীয় বাসিন্দারা। হতাশ বাসিন্দাদের মনে আশা জাগিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ধমক। বৃহস্পতিবার থেকেই তা বন্ধ করেছে প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলাশাসক অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ পেলেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
শাসকদলের নেতাদের একাংশ চাপে রয়েছেন। শিল্পাঞ্চলের এক যুব নেতার এলাকাতেই রমরমিয়ে চলেছে বালি কারবার। তাঁর ভূমিকা কলকাতার নেতাদের আঁতসকাচের তলায় রয়েছে। পাণ্ডবেশ্বর এলাকার শাসকদলের এক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিও কারবার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ পেয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। ইষ্টনাম জপ করছেন নেতাদের একাংশ।
অসাধু পুলিসকর্মী থেকে শাসকদলের নেতা বা নেতা ঘনিষ্ঠ কারবারি, প্রশাসনের কোপ থেকে বাদ যাচ্ছে না কেউ। যার জেরে ত্রাহি ত্রাহি রব শিল্পাঞ্চলজুড়ে। গত দু’দিনে অবৈধ বালি, কয়লা কারবার কমে গিয়েছে। হীরাপুর থানার চাপরাইদ মৌজায় গজিয়ে উঠেছে একাধিক বালি ও পাথর ক্র্যাশার। সেখানে সব কাজ বন্ধ। কর্মীদের দাবি, এখন কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। দামোদর, অজয় নদীতে বেআইনিভাবে মেশিনে বালি তোলা হয়। অভিযোগ, বীরভূমের তামরা মৌজার চালানে জামুড়িয়ার চিচুড়বিল মৌজায় বালি তোলা হচ্ছে। একইভাবে চুরুলিয়ায় অবৈধ কয়লা কারবারের রমরমা শুরু হয়েছিল। শুক্রবার থেকে তা সম্পূর্ণ বন্ধ। এই এলাকায় অবৈধ পাথর ক্র্যাশারের রমরমা কারবার চলেছে বছরের পর বছর। অভিযোগ জানিয়েও কোনও ফল মেলেনি। মুখ্যমন্ত্রীর এক ধমকের পরই রাতারাতি সব ক্র্যাশার বন্ধ। কুলটি থানার সবনপুর। আসানসোল পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডেই এই এলাকাটি চৌরঙ্গি ফাঁড়ি থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে রয়েছে। পুলিস-জেলা প্রশাসনকে বার বার অভিযোগ করেও অবৈধ কয়লা কারবার বন্ধ করতে পারেননি স্থানীয় বাসিন্দারা। হতাশ বাসিন্দাদের মনে আশা জাগিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ধমক। বৃহস্পতিবার থেকেই তা বন্ধ করেছে প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলাশাসক অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ পেলেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
শাসকদলের নেতাদের একাংশ চাপে রয়েছেন। শিল্পাঞ্চলের এক যুব নেতার এলাকাতেই রমরমিয়ে চলেছে বালি কারবার। তাঁর ভূমিকা কলকাতার নেতাদের আঁতসকাচের তলায় রয়েছে। পাণ্ডবেশ্বর এলাকার শাসকদলের এক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিও কারবার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ পেয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। ইষ্টনাম জপ করছেন নেতাদের একাংশ।



